This is default featured slide 1 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 2 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 3 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 4 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 5 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

Thursday, January 15, 2015

How to search and download your favorite movie

আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভালো মুভি খুজে বের করবেন এবং কিভাবে টরেন্ট থেকে সেই মুভি ডাউনলোড করবেন।
চলুন শুরু করা যাক।


টরেন্ট দিয়ে মুভি নামানোর জন্য টরেন্ট ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার থাকতে হয়।এখান থেকে utorrent নামিয়ে নিন।
আমি ছবির মাধ্যমে দেখিয়ে দিবো কিভাবে সার্চ করবেন।তাই আমার ছবি গুলো ভালো ভাবে লক্ষ্য করুন।
ছবিতে দেখুন।আমি লিখেছি Dark night rises imdb.   IMDB (Internet movie Data Base) হলো ছবির তথ্য ভান্ডার।আপনি যদি ছবির নাম ভুলে যান বা আংশিক মনে রাখেন তবে আংশিক অংশ এর সাথে iMDB লিখে সার্চ দিবেন।তাহলে আসল নাম সহজেই পেয়ে যাবেন। IMDB তে যেকোনো ছবির বিস্তারিত বর্ননা দেয়া আছে।
এখন ছবি এর নাম টা সিলেক্ট করে কপি করুন।এরপর এখানে যেয়ে পেস্ট করুন।এটা হলো টরেন্ট সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন।

এবার লক্ষ্য করুন অনেক ফলাফল এসেছে।এবার আপনার পছন্দ মত ভিডিও কোয়ালিটি দেখে সিলেক্ট করে ভেতরে প্রবেশ করুন।আমি একটা তে প্রবেশ করে দেখিয়ে দিচ্ছি।

The Pirate Bay আমার কাছে সবচেয়ে সেরা টরেন্ট সাইট।এখানে মতামত দেখে খুব সহজেই বুঝতে পারা যায় ছবিটা কেমন।

আমি গোল করে কয়েকটা জিনিশ দেখিয়ে দিয়েছি।ছবির সাইয,সিডারস এবং পিয়ারস।এবং ডাউনলোড এর লিঙ্ক।সিডার টরেন্ট ডাউনলোড এর জন্য অন্যতম গুরুত্বপুর্ন।কারন সিডার যত বেশি হবে তত ডাউনলোড স্পিড বেশি পাবেন। Get This Torrent (ম্যাগনেট লিঙ্ক) এ ক্লিক করলে ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।

YiFi-TorrenT


আমার অন্যতম সেরা টরেন্ট মুভি সাইট।এখানে সব মুভির কোয়ালিটি 720p/1080p এর।তাই মুভি সেইরকম হয়।আর এলইডি মনিটর থাকলে তো কথাই নাই।
ছবিতে লক্ষ্য করুন ছবির সাইয মাত্র 1.6GB এবং 1080p. ছবি নামানোর সময় সিডার খেয়াল করে নিবেন। Download direct  এ ক্লিক করলে এক্টা ফাইল ডাউনলোড হবে।অইটা তে ক্লিক করলে ডাউনলোড শুরু হবে।আর Download Torrent এ ক্লিক করলে সরাসরি ডাউনলোড শুরু হবে।
ঠিক মত গুছিয়ে না লেখার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।


Please stay with this blog

Free blog domain name with start your blogging

 আজকের পোস্টে আমি আপনাদের কিছু ফ্রি ডমিনের সন্ধান দেব। আমার নেক্সষ্ট পোস্ট আসবে কিছু ফ্রি হোস্টিং সাইটের উপর। তো আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক-

১. cz.cc: ফ্রি ডমিন এর ভিতর cz.cc বেশ নামি দামি। এরা ২ বছরের জন্য মোট ৪টি ফ্রি ডমিন দেয়। তার মানে cz.cc রেজিস্ট্রেশন করে ২ বছরের জন্য ডমিনের মালিক হয়ে যেতে পারেন। cz.cc সুবিধা গুলো নিম্নে দেওয়া হল।
• এক একাউন্টে থেকে আপনি ৪ টা ডমিন নিতেপারবেন ২ বছরের জন্য।
• DNS, Domain Forwording, Name Record, MX service এর সুবিধা রয়েছে।
• প্রথম ২ বছরের পর রিনিউ করতে মাত্র ৩ ডলার লাগবে।
• রেফারেলের সুবিধা রয়েছে, যার মাধ্যমে এক্সট্রা ইনকাম করতে পারবেন।
২. co.cc: আমার দেখা ফ্রি ডমিন গুলোর ভিতর co.cc আনেক ভাল। co.cc তে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি পুর ১ বছরের জন্য ডমিনের মালিক হয়ে যাবেন। co.cc যেসকল সুবিধা রয়েছে তা নিম্নরুপ-
• এক একাউন্টে থেকে আপনি ২ টা ডমিন নিতেপারবেন ১ বছরের জন্য।
• DNS, Domain Forwording, Name Record এর সুবিধা রয়েছে।
• প্রথম বছরের পর রিনিউ করতে মাত্র ৩ ডলার লাগবে। (যদি ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য ডমিন নেন তাহলে রিনিউ ফি লাগবে না)
• রেফারেলের সুবিধা রয়েছে, যার মাধ্যমে এক্সট্রা ইনকাম করতে পারবেন।
• co.cc ডমিন কে ইচ্ছে করলে এডসেন্স-এ পার্কিং করতে পারবেন।
• ডমিন সেটাপের সকল গাইড-ও রয়েছে।
৩. co.tv: এরাও ফ্রি ডমিন জগতে বেশ নামি দামি। co.tv ১ বছরের জন্য ফ্রি ডমিন দেয়। co.tv তে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি পুর ১ বছরের জন্য ডমিনের মালিক হয়ে যাবেন। co.tv যেসকল সুবিধা রয়েছে তা নিম্নরুপ-
• এক একাউন্টে থেকে আপনি ৩ টা ডমিন নিতেপারবেন ১ বছরের জন্য।
• DNS, Domain Forwording, Name Record, MX service এর সুবিধা রয়েছে।
• প্রথম বছরের পর রিনিউ করতে মাত্র ৩+ ডলার লাগবে। (যদি ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য ডমিন নেন তাহলে রিনিউ ফি লাগবে না)
• রেফারেলের সুবিধা রয়েছে, যার মাধ্যমে এক্সট্রা ইনকাম করতে পারবেন।
• co.tv ডমিন কে ইচ্ছে করলে এডসেন্স-এ পার্কিং করতে পারবেন।
• যারা এফিলিয়েশন করেন তাদের জন্য এই ডমিনটা বেশ কাজের।
৪. cc.cc: এরাও বেশ নামি দামি সাইট। cc.cc ১ বছরের জন্য ফ্রি ডমিন দেয়। cc.cc তে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি পুর ১ বছরের জন্য ডমিনের মালিক হয়ে যাবেন। cc.cc যেসকল সুবিধা রয়েছে তা নিম্নরুপ-
• এক একাউন্টে থেকে আপনি ৩ টা ডমিন নিতেপারবেন ১ বছরের জন্য।
• DNS, Domain Forwording, Name Record, MX service এর সুবিধা রয়েছে।
• প্রথম বছরের পর রিনিউ করতে মাত্র ৩+ ডলার লাগবে।
• রেফারেলের সুবিধা রয়েছে, যার মাধ্যমে এক্সট্রা ইনকাম করতে পারবেন।
• cc.cc ডমিন কে ইচ্ছে করলে এডসেন্স-এ পার্কিং করতে পারবেন।
• cc.cc ডমিন আর একটা সুবিধা আছে আর তা হল- এটা গুগলের এপস্‌ সাপোর্ট করে।
৫. ka.hn: এরা ফ্রি ডমিন জগতে নতুন। কিন্তু বেশ ভাল। ka.hn ২ বছরের জন্য মোট ৫টি ফ্রি ডমিন দেয়। ka.hn তে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি পুর ২ বছরের জন্য ডমিনের মালিক হয়ে যাবেন। ka.hn যেসকল সুবিধা রয়েছে তা নিম্নরুপ-
• এক একাউন্টে থেকে আপনি ৫ টা ডমিন নিতেপারবেন ২ বছরের জন্য।
• DNS, Domain Forwording, Name Record, MX service এর সুবিধা রয়েছে।
• বছর শেষ হয়ে যাবার পর রিনিউ করতে মাত্র ৩+ ডলার লাগবে।
• রেফারেলের সুবিধা রয়েছে, যার মাধ্যমে এক্সট্রা ইনকামও করতে পারবেন।
Please stay with this blog

Most popular tips for how to SEO your website


আমরা অনেকেই সখের বসে বা টাকা ইনকামের জন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে থাকি। ওয়েব সাইটে যত বেশী কন্টেন্ট ই থাকুক না কেন,ওয়েব সাইটে যদি ভিজিটর না থাকে তা পরিপূর্ণতা পায় না। অনেকের ব্লগে ভাল ভাল পোস্ট হয় কিন্তু ভিজিটর নেই। তো আজকে আমি দেখাব কিভাবে আপনি ফ্রিতে অনেক ভিজিটর নিতে পারেন। আপনি আজকে যেভাবে ভিজিটর বৃদ্ধি করবেন এটা মূলত অ্যালেক্সা র্যাংক কমানোর জন্য একটা উত্তম টিপস।

তার আগে জেনে নিন অ্যালেক্সা কি :

অ্যালেক্সা বিশ্বের একটি জনপ্রিয় টুলস যার মাধ্যমে সহজেই ওয়েবসাইটের মানগত দিক সম্পর্কে বেশ ভাল ধারনা লাভ করা যায় । অ্যালেক্সা ট্রাফিক রেংকটি নির্ধারিত হয় অ্যালেক্সা কোয়াটার্লি(৩ মাস) পঞ্জিকার সময় অনুযায়ী। অ্যালেক্সার ওয়েব র্যাঙ্ক নির্ণয় করা হয় এলেক্সা ব্যবহারকারীদের টুলবার থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে । অবযালেক্সা রেংক নির্ভর করে আপনার সাইটে কোন উৎস থেকে ভিজিটর আসছে এবং তারা কি পরিমান সময় আপনার সাইটে কাটাচ্ছে ইত্যাদির উপরে নির্ভর করে তারা গুগল এনালাইস্টিক্স টুলস এর মত এক ধরনের টুলস ব্যাবহার করে এসকল তথ্য গ্রহন করে থাকে। সাধারণত বিজ্ঞাপন দাতারা যখন কোনো সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চায় তার পূর্বে তারা সেই সাইটের মানকে অ্যালেক্সা রেঙ্কিং টুলস দিয়ে পরিক্ষা করে থাকে।আর আপনার সাইটের অ্যালেক্সা রেঙ্ক যদি বেশি থাকে তাহলে বিজ্ঞাপন দাতারা আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে আগ্রহী হবে না। সংক্ষেপে জেনে নিলেন অ্যালেক্সা রেঙ্ক কি?

এখন দেখুন কিভাবে আপনি আপনার সাইটের অ্যালেক্সা রেঙ্ক কমাবেন:

আমি আগেই বলেছি অ্যালেক্সা রেংক নির্ভর করে আপনার সাইটে কোন উৎস থেকে ভিজিটর আসছে এবং তারা কি পরিমান সময় আপনার সাইটে কাটাচ্ছে ইত্যাদির উপরে। এর মানে হচ্ছে শুধু ভিজিটরের পরিমাণ দিয়ে অ্যালেক্সা রেঙ্ক নির্ধারণ হয় না।এখানে ভিজিটরের মান এবং কোন উৎস থেকে ভিজিটর আসছে সেই দিকটা প্রকটভাবে বিবেচনা করা হয়। তো আজকে আপনি যেভাবে ভিজিটর নিবেন এই ভিজিটর গুলি অ্যালেক্সা টুলবার ব্যাবহারকারী এবং এ ১ জন ভিজিটরের মর্যাদা ১০০ জন সাধারণ ভিজিটরের সমমূল্য। প্রথমে এখান থেকে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন। তারপর লগিন করে ড্যাশবোর্ডো যান। প্রথমে আপনাকে ১০০ পয়েন্ট বোনাস দেওয়া হবে।
এখন ওপরে মেনু বাটনে ক্লিক করে মেনু আনুন।

তারপর Manage website অপশনে গিয়ে Add new website এ আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিন। Limit points এ আপনি ডেইলি কত পয়েন্ট খরচ করতে চান তা লিখুন। ব্যাস আপনার লিমিট অনুযায়ী আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়তে থাকবে।

এখন দেখুন কিভাবে পয়েন্ট আর্ন করবেন:

এখন ড্যাশবোর্ডের মেনু বাটনে ক্লিক করলে দেখবেন Launch Auto Surf নামে একটা অপশন আছে। ওটাতে ক্লিক করে বসে থাকুন আপনার কিছুই করতে হবে না পেজ সয়ংক্রিয় ভাবে অটো সার্ফ হতে থাকবে এবং আপনার পয়েন্ট বৃদ্ধি পেতে খাকবে।

রেফারেলের মাধ্যমে আপনি বড়তি পয়েন্ট পেতে পাড়বেন। Referrals এ ক্লিক করলে আপনি আপনার রেফারেল লিংক পাবেন আর প্রতি একজন রেফারেল ইউজারের জন্য আপনি ১০০০ পয়েন্ট পাবেন। একটা কথা মনে রাখবেন আপনি যত পয়েন্ট আর্ন করতে পারবেন আপনার সাইটে তত বেশী ভিজিটর যাবে। এভাবে কাজ করার দুই একদিন পর আপনার সাইটের অ্যালেক্সা রেঙ্ক চেক করে দেখুন আগের চেয়ে আপনার সাইটের অ্যালেক্সা রেঙ্ক তিন ভাগ কমে গেছে। ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে পরার জন্য।
Please stay with this blog

10 tips for increase your youtube videos visitors


একটি প্রশ্নের সম্মুখিন হয়েছি অনেকবার। অনেকেই ফোন করে জানতে চেয়েছেন- ইউটিউবের বিস্তারিত কেন লিখিনি আমার বইতে? ভিডিও কিভাবে মন্টানাইজেশন করতে হবে? টাকা উঠাবো কিভাবে? কিংবা ইউটিউব ভিডিও এস ই ও করব কিভাবে?
প্রথমেই বলে নেই, আমিও আপনাদের মত বাংলাদেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করি, আমি বেশিরভাগ সময় ব্যয় করি কিভাবে ইউটিউব থেকে বেশি আয় করা যায়। যারা ইউটিউব থেকে প্রতি মাসে অনেক টাকা আয় করেন এরকম অনেকের কাছেই আমি জানতে চেয়েছিলাম, তারা কিভাবে করে; অনেকেই আমাকে শিখাতে চেয়েছে- কিভাবে আয় করা যায় ইউটিউব থেকে, আর এ জন্য মোটা অর্থ ও তারা দাবী করেছে। এরপর মাথায় চেপে গিয়েছিলো তারা যদি পারে আমি পারব না কেন? এর পর থেকেই ইউটিউব নিয়ে ঘাটাঘাটি। আমি ইউটিউব এর কোন গুরু না, আমি প্রতিনিয়ত যা শিখি, নতুন যা জানতে পারি ইউটিউব সম্পর্কে তাই আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি। ইউটিউব নিয়ে আমি একটি ছোট ই-বুক লিখেছি, যারা সংগ্রহ করতে চান তারা এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে নামিয়ে নিতে পারেন।
আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ১০ টি উপায়, যা আপনি ঠিকমত ব্যবহার করতে পারলে অবশ্যই আপনার ভিডিওটির ভিউয়ার বাড়বে।
১. আপনার ভিডিওটির এস ই ও করুন
খেয়াল করুন আপনার ভিডিওর টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ ঠিকমত আছে কিনা। অবশ্যই এগুলো কি ওয়ার্ড সার্চ করে পাওয়া যাবে এরকম কিছু ব্যবহার করুন। আপনার বর্ণনার মধ্যে অবশ্যই কি ওয়ার্ড ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন ভিডিওর এস ই ও হচ্ছে আপনার ভিডিওর ভিউয়ার বাড়ানোর সবচেয়ে বড় কৌশল। আপনার টাইটেলের মধ্যে সেই কি ওয়ার্ডটি ব্যবহার করেন যা কেউ সার্চ দিলে পেয়ে যাবে।
২. ভিডিওর একটি ভালো ছবি দিন
আপনি ভিডিওটি আপলোড করার পর ইউটিউব আপনাকে ৩টি ছবি নিজে থেকেই দিয়ে দিবে, আপনার ভিডিওর জন্য। সেই ৩টি ছবিতেই যদি আপনি কি বলতে চাচ্ছেন তাই থেকে থাকে তাহলে সেখান থেকে যেটি ভালো সেটি নির্বাচন করুন, আর যদি না থাকে তাহলে অবশ্যই সেরকম একটি ছবি দিন যাতে আপনার পুরো ভিডিওটির কথা বলা থাকে। যেমন ধরুন আপনি একটি কার বিক্রি করার ভিডিও তৈরি করেছেন, তাহলে ভালো দেখে একটি কার এর ছবি আপলোড করুন, যেটা দেখে আপনার গ্রাহকরা আপনার ভিডিওটিতে ক্লিক করবে।
৩. ফেসবুক ব্যবহার করুন
কেউ মানেন আর না মানেন লিঙ্ক বিল্ডিং করার জন্য ফেসবুক হচ্ছে এই মুহূর্তে সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। আপনি যে ভিডিওটি ইউটিউবে আপলোড করেছেন সেটা ফেসবুকে শেয়ার করুন। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে আপনার ভিডিওটি প্রমোট করুন, ফেসবুক থেকেই পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ভিউয়ার। আপনার ফ্রেন্ড সংখ্যা যদি ৫০০০ হাজার এর মত হয়, তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন; আপনার এই ৫০০০ হাজার ফ্রেন্ড এর আরো ৫০০০ হাজার ফ্রেন্ড আছে, শুধুমাত্র আপনার একটি পোস্ট আপনার বন্ধু থেকে তার বন্ধু, তার বন্ধু থেকে তার বন্ধু এভাবে কয়েক হাজার লোক এর কাছে পৌছে যাবে আপনার ভিডিওটি।
৪. টুইট করতে কখনোই ভুলবেন না
ফেসবুক এর পাশাপাশি টুইটারও অনেক বড় মাধ্যম লিঙ্ক বিল্ডিং এর জন্য। আপনি আপনার টুইটার একাউন্টে ফোলোয়ার বাড়াতে থাকুন, যত ফলোয়ার বাড়বে, তত আপনার লাভ। আপনার চ্যানেলের প্রতিটি ভিডিও টুইটারে শেয়ার করতে থাকুন, আর সেগুলো আপনার ফলোয়ারের কাছে পৌছে যাবে। আর যত বেশি ফোলোয়ার তত বেশি ভিডিও ভিউ।
৫. কল টু একশন
অনেকে হয়ত এই বিশয়টি নাও বুঝতে পারেন, কিন্তু এই কাজটি করা সবচেয়ে সহজ। আপনি আপনার ভিডিওর শেষে আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করার জন্য ভিউয়ারকে আহ্বান করতে পারেন- ধরুন আপনার প্রোডাক্টই কার বিক্রি করা নিয়ে, তাহলে আপনি বলুন- নতুন নতুন কার এর খবর পেতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করুন আমার চ্যানেল, আর পেতে থাকুন আমার নতুন গাড়ি নিয়ে আপকামিং ভিডিও। এতে করে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে, আর সাবস্ক্রাইবার বাড়লে বাড়বে আপনার ভিডিওটির ভিউয়ার। আর
৬. সময় ঠিক করুন
আপনি টিভিতে একটি নির্ধারিত সময়ে আপনার পছন্দের অনুষ্ঠান দেখে থাকেন; তাই না, সেরকম ইউটিউবে আপনার সাবস্ক্রাইবারাও একটি নির্ধারিত সময়ে অপেক্ষায় থাকে আপনার নতুন ভিডিওটি দেখার জন্য। এজন্য সব সময় চেষ্টা করবেন নির্ধারিত সময়ে আপনার চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করতে।
৭. আপনার চ্যানেলের জন্য একটি ওয়েব সাইট খুলুন
আপনার চ্যানেলে জন্য একটি ওয়েব সাইট খুলুন। ওয়েব সাইটে প্রতিদিন আপনার আপলোড করা ভিডিওগুলোর রিভিউ লিখুন। এতে করে আপনার ওয়েব সাইট এর ভিজিটর বাড়বে, আর এর সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে আপনার চ্যানেলের ভিউয়ার।
৮. চেষ্টা করুন নিউজ লেটার বানানোর
আপনার চ্যানেলের জন্য প্রতি সপ্তাহে একটি করে নিউজ লেটার বানানোর চেষ্টা করুন। ভালোভাবে ডিজাইন করে আপনার সাবস্ক্রাইবারদের কাছে পাঠিয়ে দিন আপনার তৈরি করা নিউজ লেটার। নিউজ লেটার পাঠানোর জন্য আপনার ওয়েব সাইটে একটি নিউজ লেটার সাবস্ক্রাই বাটন রাখুন। এখান থেকেই পেয়ে যাবেন আপনার অনেক সাবস্ক্রাইবার। যার ফলে বাড়বে আপনার চ্যানেলের ভিডিওর ভিউয়ার।
৯. আপনার ভিডিওর বিজ্ঞাপন দিন
আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওগুলোর বিজ্ঞাপন দেওয়ার চেষ্টা করুন। বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য গুগল এডওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এই একটি মাধ্যম যেখান থেকে আপনার ভিডিওতে প্রতিদিন টার্গেট ভিউয়ার আসবেই। ২ ডলার করে যদি আপনি আপনার ভিডিওটির বিজ্ঞাপন দেন তাহলে দিন শেষে আপনার ভিডিওটির ভিউয়ার সংখ্যা দাঁড়াবে ৫০-১২০ টির মত, যেখান থেকে আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক পড়বে মিনিমাম ২০-৩০টি।
১০. চ্যানেলের একটি ট্রাইলার তৈরি করুন
সব শেষ কাজ হিসেবে যা করতে পারেন তা হল, চ্যানেলের একটি ট্রাইলার তৈরি করুন। আর এই ট্রাইলার এর মাধ্যমে জানিয়ে দিন আপনার চ্যানেলটি আসলে কি নিয়ে।
আশা করছি এই কাজগুলো ঠিকমত করতে পারলে অবশ্যই সফলতা আসবেই

Please stay with this blog

Automatic log out tricks from your facebook account

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া দুস্কর, যেখানে ইন্টারনেট আছে সুযোগ পেলেই সেখানে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ একবার লগিন করতে মন চাই আমাদের সবারই, সে কাজটি করেও থাকি মাঝে মধ্যে । এমন কি আমরা এমনই ফেসবুক পাগল যে  আমাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমন অনেক কিছুই আমরা রেখে দি যা অন্যের হাতে চলে গেলে নিজের অনেক ক্ষতিও হতে পারে সঠিক বললাম কিনা আপনারাই বলুন । তাই সাবধানের মার নেই এ কথার সাথে একমত হয়ে আমার আজকের এই পোষ্টটি আপনাদের সাথে শেয়ার করা ।  মনে করুন, আপনি আপনার  বন্ধুর মোবাইল বা কম্পিউটারে আপনার Facebook Account লগিন করেছেন কিন্তু আপনি আপনার Facebook Account লগ আউট করতে ভুলে গেছেন, এখন আপনি কি করবেন ।আপনার ঐ বন্ধুকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগ আউট করতে বলাটা নিশ্চয় বোকামির পরিচয় দেওয়া হবে কি ঠিক বললাম তো ?  চলুন দেখে নেওয়া যাক আপনার করনীয় কি, প্রথমে আপনি বর্তমানে যেখানে আছেন সেখানেই আপনার Facebook Account লগিন করুন, এরপর Account Settings এ যান, সেখান থেকে Security অপশনে যান, দেখুন Where You’re  Logged In এই লেখটি আছে, এই লেখার উপর ক্লিক করুন । লক্ষ্য করুন আপনার Facebook Account কোথায় লগিন করা আছে তা দেখা যাচ্ছে ।
facebook page
আপনি যে ডিভাইস থেকে Facebook Account লগ আউট করতে চান তার পাশে লেখা End Activity তে ক্লিক করুন । দেখুন আপনার অ্যাকাউন্টি ঐ ডিভাইস থেকে লগ আউট হয়ে গেছে । টিউনটি পুর্বে প্রকাশিত হয়েছে এখানে । পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু । আল্লাহ হাফেজ ।

Please stay with this blog