This is default featured slide 1 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 2 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 3 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 4 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

This is default featured slide 5 title

The Largest and Most Popular technology news at Bengali, English, PC technology, computer, windows, hardware, software, reviews, PC gaming, tech news, software downloads, drivers, analysis and many more news enjoy, please stay tuned

Thursday, January 30, 2014

Some tips for easy working in Outsourcing

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ অনেকেই করছেন, আবার অনেকে নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছেন। অনলাইনে সহজে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই চলে। নিচে সে রকম কিছু কৌশল দেওয়া হলো।

 অনেকেই যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও জব পান না। এটা নির্ভর করে আপনি কত কম মূল্যে (রেটে) আবেদন করেছেন তার ওপর।

 যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে (ফ্রিল্যান্সার) ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়।

 কোনো একটা জব পোস্ট করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো।

 আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে (ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে) থাকবেন ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো পোস্ট করার এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া; আবার হঠাৎ করে কোনো ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন। যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর দিতে পারেন।

 মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেখবেন প্রতি মিনিটে নতুন নতুন জব পোস্ট করা হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব জবে কোনো কনট্রাক্টরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো। কারণ বায়ার যদি এদের মধ্য পছন্দের কনট্রাক্টর পেয়ে যায় তাহলে আর অন্য কনট্রাক্টরের প্রোফাইল চেক করে দেখবে না।

 যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে আবেদন না করাই ভালো।

 যাঁরা ওডেস্কে দুই-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি মূল্য হারে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলারে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি রেটে আবেদন না করাই ভালো।

Some Way to solve your Daily Computer or Laptop Problems

Some Way to solve your Daily Computer or Laptop Problems


কম্পিউটার 

 শুরুতেই যা করণীয়
কোনো সমস্যা হলে অন্য কিছু করার আগে প্রথম কাজটিই হবে কম্পিউটার পুনরায় চালু বা রিস্টার্ট করা। এই কাজটি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। কম্পিউটারে সংযুক্ত কোনো যন্ত্রপাতি সমস্যা করলে সেটি বন্ধ করে আবার চালু করুন। তাতে কাজ না হলে যন্ত্রটি প্রথমে কম্পিউটার থেকে খুলে আবার লাগিয়ে নিন, তারপর সেটির সর্বশেষ সংস্করণের চালক সফটওয়্যার বা ড্রাইভার ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে আবার ইনস্টল করুন।
১. ধীরগতির কম্পিউটার
কম্পিউটার খুব ধীরগতির হলে প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে এটি আসলে কম্পিউটারের নিজের সমস্যা কি না। ওয়েবসাইট দেখতে সময় বেশি লাগা বা অনলাইনে ভিডিও দেখার সময় বাফারিং অবিরাম চলতে থাকাটা কম্পিউটারের সমস্যা না-ও হতে পারে। যদি মনে হয় কম্পিউটারেই সমস্যা, তাহলে দেখে নিন হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা আছে (সাধারণত C:), তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা আছে কি না। অপারেটিং সিস্টেম চলার সময় উইন্ডোজের ফাইল তৈরিতে খালি জায়গার প্রয়োজন হয়। অপর্যাপ্ত থাকলে ড্রাইভের কিছু জায়গা খালি করে ফেলুন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো ডিস্কম্যাক্স নামের একটি প্রোগ্রাম। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/rgcY4Q। রিসাইকল বিন, ইনস্টলেশন রেমন্যান্ট, ইউজার হিস্ট্রি, টেম্পরারি ফাইল, কুকিজ, উইন্ডোজ ক্যাশ ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় সবকিছু মুছে সিস্টেম ড্রাইভসহ পুরো হার্ডডিস্ক পরিষ্কার করে ফেলবে।
ধীরগতির আরেকটি সমাধান হলো মাইক্রোসফট সিস্টেম কনফিগারেশন টুল। অনেক অ্যাপলিকেশন আছে যেগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে কম্পিউটার পুরোপুরি প্রস্তুত হতে বাড়তি সময় লাগায়। এ জন্য Windows Key + R কি চেপে তাতে msconfig লিখে এন্টার চাপুন। এখান থেকে যেসব স্টার্টআপ আইটেম অপ্রয়োজনীয় মনে হয়, সেগুলো থেকে টিক উঠিয়ে দিন। তবে ম্যানুফ্যাকচারার ট্যাবে মাইক্রোসফট করপোরেশন লেখা আইটেমগুলো থেকে টিক ওঠাবেন না। এবার ওকে চেপে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

ইন্টারনেট সংযোগ 

২. ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা
ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা হলে ভালো সমাধান হলো www.speedtest.net ওয়েব ঠিকানা। এখানে স্পিড টেস্ট চালিয়ে দেখুন ইন্টারনেটের গতি কেমন। ইন্টারনেট সেবাদাতার দেওয়া সংযোগের গতির অন্তত অর্ধেক পাচ্ছেন কি না, পিং করলে ১০০ মিলিসেকেন্ডের কম থাকে কি না। আশানুরূপ না হলে পরীক্ষা করে দেখুন, কোনো কিছু ডাউনলোড বা আপলোড হচ্ছে কি না। অনেক টরেন্ট ডাউনলোডিং প্রোগ্রাম টাস্কবারের বদলে সিস্টেম ট্রেতে থেকে নেপথ্যে ডেটা ডাউনলোড বা আপলোড করতে থাকে। উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট নির্বাচন করা থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড চলতে থাকে। এটি বন্ধ করতে চাইলে স্টার্ট বাটন চেপে সার্চ বক্সে লিখুন windows update এবং এন্টার চাপুন। ‘চেঞ্জ সেটিংস’ ক্লিক করে ‘নেভার চেক ফর আপডেটস’ অপশনটি নির্বাচন করে ওকে করুন। নেটওয়ার্কে ব্যবহূত হার্ডওয়্যারও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। রাউটার বা সুইচের রিসেট বাটন চেপে সংযোগ সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। অথবা দু-এক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার কেবল বিচ্ছিন্ন করেও এটা করা যায়।

৩. কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট
হার্ডওয়্যার সমস্যা করলে সেটা শনাক্ত করে সমাধান করা একটু কঠিনই। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, উইন্ডোজ হালনাগাদ হচ্ছে কি না। এসব আপডেট ইনস্টল হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। অনেক সময় ভাইরাস বা অ্যাডওয়্যারের কারণে এমনটা হতে পারে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অথবা বিনা মূল্যের মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়ালস সর্বশেষ হালনাগাদসহ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করে স্ক্যান করে নিতে পারেন। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/EW85AC আর এর সর্বশেষ ডেফিনিশন আপডেট ফাইল নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/8TnmU5। কম্পিউটারের ধরন অনুযায়ী (৩২ বা ৬৪ বিট) ‘ম্যানুয়ালি ডাউনলোড দ্য লেটেস্ট আপডেটস’ সেকশন থেকে এই সফটওয়্যারটির হালনাগাদ ফাইল নামাতে হবে অথবা ইন্টারনেটে সরাসরি হালনাগা করে নিতে পারেন।
কম্পিউটারের কোনো যন্ত্রাংশ মাত্রাতিরিক্ত গরম হলেও কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নিতে পারে। আধুনিক অনেক কম্পিউটারে সেফগার্ড থাকে, যা যন্ত্রপাতি গরম হলে নিজে নিজেই কম্পিউটার বন্ধ করে দেয়। সিপিইউ খোলার অভিজ্ঞতা থাকলে এবং তাতে কোনো ওয়ারেন্টি সিল না থাকলে সেটি খুলে অনেক দিনের জমা ধুলোবালি ব্রাশ দিয়ে সাবধানে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। তারপর র‌্যাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগিয়ে নিন এবং হার্ডডিস্ক, ডিভিডি-রম ড্রাইভে সংযুক্ত তারগুলো ভালোভাবে লাগিয়ে রিস্টার্ট হওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।

৪. ডেস্কটপে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন
ওয়েব সাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) খোলা না রাখলেও যদি ডেস্কটপে পপ-আপ উইন্ডো এসে অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, তবে বুঝতে হবে আপনার কম্পিউটারে কোনো অ্যাডওয়্যার ইনস্টল হয়ে আছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ কাজ নয়। ইন্টারনেটে পিসি স্পিড-আপ, পিসি অপটিমাইজার ইত্যাদি নামে প্রচুর সিস্টেম ইউটিলিট টুলস আছে কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ করে খুব কমই। এ ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত এবং বিনা মূল্যে কাজের অ্যাডওয়্যার স্ক্যানার হচ্ছে ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টি ম্যালওয়্যার টুল। প্রথম কাজ হবে আগে থেকে ইনস্টল করা অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে পুরো সিস্টেম স্ক্যান করা।
এতে কাজ না হলে সব ধরনের ম্যালওয়্যার মোছার জন্য কার্যকর ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টি ম্যালওয়ার প্রোগ্রামটি ইন্টারনেটের www.malwarebytes.org এই ওয়েব ঠিকানা থেকে বিনা মূল্যের সংস্করণটি নামিয়ে ইনস্টল করুন। স্ক্যান করার আগে বর্তমানে কোনো অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকলে প্রথমে নিষ্ক্রিয় করে নিন। এর পরও কাজ না হলে সিস্টেম ড্রাইভে (সাধারণত সি ড্রাইভ) রাখা আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো অন্যত্র সরিয়ে অপারেটিং সিস্টেম পুরোপুরি নতুন করে ইনস্টল করতে হবে।

৫. গুগল ঠিকমতো কাজ না করা
ব্রাউজার হাইজ্যাক হওয়া ম্যালওয়্যারেরই আরেকটি ধরন। কিছু প্রোগ্রাম আছে, যা ওয়েব ব্রাউজারটি দখলে নিয়ে আপনার করা গুগল সার্চ গোপনে অন্য কোনো ভুয়া ওয়েবসাইটের পেজে নিয়ে যায়। তারপর কোনো কিছু জানতে চেয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়াসহ আপনার সিস্টেমকে আক্রান্ত করতে পারে। হালের সব ইন্টারনেট সিকিউরিটি অথবা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারে রিয়েল-টাইম স্ক্যানার সংযুক্ত থাকে। প্রোগ্রামটির সেটিংস ঘেঁটে সেটি কার্যকর আছে কি না দেখে নিন। কাজ না হলে কন্ট্রোল প্যানেলের প্রোগ্রামস অ্যান্ড ফিচারস অপশন থেকে ব্রাউজারটি বেছে নিয়ে আনইনস্টল করে ফেলুন। পছন্দসই ব্রাউজারের সর্বশেষ সংস্করণ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করুন।
অনেক সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় বাড়তি অপশন হিসেবে তাদের নির্ধারিত টুলবার ইনস্টল করতে বলে। টুলবার ইনস্টল হয়ে গেলে ব্রাউজারে ব্যবহূত ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিনের বদলে তাদের কাস্টম সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহূত হয়ে আপনার তথ্য অনুসন্ধানে সঠিক ফল নাও দিতে পারে। সে জন্য অপরিচিত সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় কাস্টম অপশন নির্বাচন করে ধৈর্যসহকারে নির্দেশনা দেখে দেখে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। বিনা মূল্যে কোনো সেবা নেওয়ার অফার থাকলে সেগুলো পরিহার করুন। তার পরও যদি দেখেন, আপনার ব্রাউজারে অযাচিত অনেক অপশনে ভরপুর হয়ে আছে, তাহলে কন্ট্রোল প্যানেলের প্রোগ্রামস অ্যান্ড ফিচারস অপশন থেকে টুলবার প্রোগ্রামটি চিহ্নিত করে মুছে ফেলুন।

৬. ওয়াই-ফাই সংযোগ বারবার বিচ্ছিন্ন
ওয়াই-ফাইয়ের সংযোগ নিয়ে সমস্যায় পড়লে একটু ধাঁধায়ই পড়তে হয়। এটা কি নিজের কম্পিউটারে সমস্যা?
রাউটারে সমস্যা?
নাকি আইএসপির সমস্যা? এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবাদাতা বা আইএসপিকে ফোন করার আগে নিজে নিজে কিছুটা চেষ্টা করা যেতে পারে। নিশ্চিত করুন, আপনার কম্পিউটারটি ওয়াই-ফাই রাউটারের আওতার ভেতরেই আছে কি না। তারপর দেখুন কম্পিউটারের তারহীন কার্ডটির সর্বশেষ ড্রাইভার ইনস্টল করা আছে কি না। এবার উইন্ডোজ ট্রাবলশুট ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
টাস্কবারের সিস্টেম ট্রেতে থাকা ওয়াই-ফাই আইকনে ডান ক্লিক করে ‘ট্রাবলশুট প্রবলেমস’ অপশনটি নির্বাচন করুন।
উইন্ডোজের নিজস্ব প্রোগ্রাম উইন্ডোজ নেটওয়ার্ক ডায়াগনস্টিক নামের টুলসটি সমস্যার সমাধান যদি না-ও করে, কিছু নির্দেশনা তো অন্তত পাওয়া যাবে।



. 


৭. ওয়েবসাইট সিকিউরিটি সার্টিফিকেট সমস্যা
অনেক বড় সমস্যার সমাধান অনেক সময়ই সহজ হয়ে থাকে৷ ওয়েবসাইট দেখতে গিয়ে যদি দেখেন, ‘দেয়ার ইজ আ প্রবলেম উইথ দিস ওয়েবসাইটস সিকিউরিটি সার্টিফিকেট’, তাহলে প্রাথমিকভাবে বুঝতে হবে, এটা আপনার কম্পিউটারের সমস্যা৷ ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত নিরাপত্তা সার্টিফিকেট কম্পিউটারে থাকা ঘড়ির সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নির্ধারণ করে (সিনক্রোনাইজড) থাকে৷ কম্পিউটার পুরোনো হলে মাদারবোর্ডের সিএমওএস ব্যাটারি বসে গিয়ে থাকতে পারে৷ যার ফলে কম্পিউটার চালু করলে সঠিক সময় ও তারিখ পাওয়া যায় না৷ নষ্ট ব্যাটারিটি পাল্টে ফেলুন অথবা সিস্টেম ট্রেতে থাকা ক্লকে ডান ক্লিক করে ‘চেঞ্জ ডেট অ্যান্ড টাইম সেটিংস’ নির্বাচন করে সঠিক সময় ও তারিখ দিয়ে সমস্যার সমাধান পেতে পারেন৷
এর পরও এ সমস্যা দেখা দিলে বুঝতে হবে, ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত নিরাপত্তা সার্টিফিকেটটি আপনার ব্রাউজারে থাকা বিশ্বস্ত পাবলিক সার্টিফিকেট অথরিটির (সিএ) তালিকায় নেই৷ এ ক্ষেত্রে ব্রাউজ করা ওয়েবসাইটটি যদি পরিচিত ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, তাহলে ‘কন্টিনিউ টু দিস ওয়েবসাইট’ লিংকে ক্লিক করে সাইটটি দেখার কাজ চালিতে নিতে পারেন৷ সন্দেহজনক মনে হলে ‘ক্লিক হিয়ার টু ক্লোজ দিস ওয়েবসাইট’ লিংকে ক্লিক করে বের হয়ে যেতে পারেন৷

৮. প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে না
এ রকম অবস্থা হলে দেখতে হবে প্রিন্টারের চালক সফটওয়্যার (ড্রাইভার) ইনস্টল বা আপডেট করা আছে কি না, প্রিন্টারে পর্যাপ্ত পরিমাণ কাগজ অথবা টোনারে কালি রয়েছে কি না৷ ইনস্টল করা প্রিন্টারটি ডিফল্ট প্রিন্টার হিসেবে নির্বাচন করা আছে কি না, সেটাও দেখতে হবে৷ প্রিন্টারটি একবার বন্ধ করে আবার চালু করুন৷ প্রিন্টারটি বৈদ্যুতিক সকেট থেকে খুলে অাবার লাগান৷ কম্পিউটারের সিস্টেম ট্রেতে থাকা প্রিন্টার আইকনে দুই ক্লিক করে প্রিন্ট কিউ দেখে নিন৷ এভাবে প্রিন্টারের বর্তমান অবস্থা এবং চলমান প্রিন্টার জব দেখা যাবে৷ এই উইন্ডোর প্রিন্টার ট্যাবে ক্লিক করে দেখে নিন ‘ইউজ প্রিন্টার অফলাইন’ অপশনটি থেকে টিক তুলে দেওয়া হয়েছে কি না৷ যদি এই অপশনটি টিক দেওয়া থাকে, তাহলে প্রিন্টার বন্ধ থাকলেও উইন্ডোজ কোনো প্রিন্টের নির্দেশ বা কমান্ড পেলে সেটি পরবর্তীকালে প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টারে পাঠিয়ে দেয়৷ এভাবে প্রিন্টারের কাজ জমতে জমতে আটকে যায়৷ এ রকম হলে প্রিন্টার জবগুলো নির্বাচন করে বাতিল করে দিন৷

৯. ই-মেইলে সংযুক্ত ফাইল না খোলাই
মেইলে আসা কোনো সংযুক্ত ফাইল যদি খুলতে সমস্যা হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, আপনার কম্পিউটারে সম্ভবত ফাইলটি খুলে দেখার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা নেই৷ অ্যাডবি রিডার বা পিডিএফ সমর্থন করে, এ রকম সফটওয়্যার যদি ইনস্টল করা না থাকে, তাহলে ফাইলের নামের শেষে একটি ডট দিয়ে তিন অক্ষরের শব্দ (ফাইল এক্সটেনশন) .পিডিএফ নামের ফাইল আপনি দেখতে পারবেন না৷ http://get.adobe.com/reader ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে অ্যাডবি রিডার নামিয়ে নিতে পারেন৷ এভাবে ই-মেইলে সংযুক্ত ফাইলের ফাইল এক্সটেনশন দেখে বুঝতে হবে, সেটি দেখার জন্য ঠিক কী ধরনের সফটওয়্যার প্রয়োজন৷ সংযুক্ত ফাইলে নামের শেষে .ডিওসি বা .পিপিটি হলে বুঝতে হবে এটি দেখার জন্য মাইক্রোসফট অফিস বা এর মতো সফটওয়্যার প্রয়োজন৷ মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন বিনা মূল্যের ওপেন অফিস সফটওয়্যারটি, নামাতে হবে www.openoffice.org/download এই ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে, যার আকার ১৩৭ মেগাবাইট৷

১০. নতুন কম্পিউটারে সফটওয়্যার চলছে না
পুরোনো কম্পিউটারের প্রিয় প্রোগ্রামটি নতুন কম্পিউটারে চলছে না দেখে মাথা গরম করার আগে দেখতে হবে, সেটি নতুন কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমে সমর্থনযোগ্য কি না৷ যেমন পুরোনো অনেক সফটওয়্যার উইন্ডোজ ৮-এ কাজ না-ও করতে পারে৷ এ ক্ষেত্রে পুরোনো ওই সফটওয়্যারটি নতুন অপারেটিং সিস্টেমে ইনস্টল করার আগে মূল সেটআপ ফাইেল ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজ অপশন নির্বাচন করতে হবে৷ সেখান থেকে কম্প্যাটিবিলিটি ট্যাব নির্বাচন করে ‘রান দিস প্রোগ্রাম ইন কম্প্যাটিবিলিটি মোড ফর’ অপশনে টিক দিয়ে নিচের মেনুতে থাকা অপারেটিং সিস্টেমের তালিকা থেকে সফটওয়্যারটি আগে যে অপারেটিং সিস্টেমে ভালোভাবে চলত, সেটি নির্বাচন করে ওকে করতে হবে৷ তারপর সেটি ইনস্টল করুন৷
ম্যাক ওএস এক্সের জন্য বানানো সফটওয়্যার অবশ্যই উইন্ডোজ কম্পিউটারে চলবে না৷ আবার ৩২-বিট প্রযুক্তির প্রোগ্রাম ৬৪-বিট কম্পিউটারে চলবে ঠিকই কিন্তু উল্টোভাবে ৬৪-বিট প্রোগ্রাম ৩২-বিট সিস্টেমে চলবে না৷ সব ধরনের ফাইল উইন্ডোজে চলবে এমনটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না৷ যেমন .এপিপি এক্সটেনশনের কোনো ফাইল উইন্ডোেজ চলবে না৷ কারণ, এই এক্সটেনশনের ফাইল ম্যাক ওএস এক্সে চলার জন্য সমর্থনযোগ্য৷ অনলাইনে ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি দেখতে সমস্যা হলে বুঝতে হবে, জাভা অথবা ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ইনস্টল করা নেই৷ এ ক্ষেত্রে ব্রাউজার নিজ থেকেই আপনাকে জানিয়ে দেবে, ঠিক কোন প্লাগ–ইন ইনস্টল করতে হবে৷ অ্যাডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার http://get.adobe.com/flashplazer ঠিকানার ওয়েব থেকে নামাতে পারবেন৷

বিশেষ সতর্কতা
কম্পিউটারের কোনো সমস্যা একেবারেই বুঝতে না পারলে সেটিতে হাত না দেওয়াই ভালো৷ ওয়ারেন্টি বহাল থাকা অবস্থায় নিজে নিজে হার্ডওয়্যার বা সিস্টেমে হাত দেওয়া যাবে না বা তৃতীয় কোনো পক্ষের সেবা নেওয়া যাবে না৷ শর্ত ভঙ্গ হলে বিক্রয়-পরবর্তী বিনা মূল্যের ওয়ারেন্টি সেবা বাতিল হয়ে যাবে৷ কম্পিউটারের কোনো সমস্যা জটিল মনে হলে প্রথমেই অভিজ্ঞ কোনো বন্ধু বা এ বিষয়ে জ্ঞান রাখেন, পরিচিত এমন কাউকে দেখাতে পারেন৷ তারপর পেশাগতভাবে যাঁরা কম্পিউটার সমস্যার বাণিজ্যিক সেবা দিয়ে থাকেন, তাঁদের কাছে যেতে পারেন৷

 

Tuesday, January 28, 2014

How to Visitor lost a website

যে ভুলগুলো সাইটে কাংখিত ভিজিটর বা ট্রাফিক আনতে ব্যর্থ হয়। মাঝে মাঝে সাইটে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। সে সময় সাইটের এসইও সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকলে অনাকাংখিত ভুলে ট্রাফিক হারিয়ে যায়। এ ভুলগুলো সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন।
এখানে তেমনি গুরুত্বপূর্ণকিছুভুল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি পুরাতন ভিজিটর বা কাংখিত নতুন ভিজিটর পেতে পারেন।

৩০১ রিডাইরেক্টশন ছাড়াই পার্মালিংক চেঞ্জ করা
 একটা ওয়েবসাইটের এসইও এর জন্য পার্মালিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি একটি নতুন ব্লগ সাইট শুরু করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি ক্লিন পার্মালিংক ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তবে সমস্যা হলো, পুরাতন ব্লগের পার্মালিংক পাল্টালে।

আপনার সাইটের যদি পোস্ট সংখ্যা খুবই কম হয় তাহলে এটি কোনো বিষয় নয়! আপনার সাইটের পার্মালিংক পাল্টালে আগের পোস্টলিংকগুলো নতুন করে ইনডেক্স হয়, সেক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আপনার পোস্টলিংকগুলো আর কাজ করবে না। ফলে আপনি ঐ লিংক থেকে ভিজিটরগুলো হারাবেন।
তবে এই সমস্যার সমাধানও আছে। আমরা একটি পার্মালিংক থেকে অন্য পার্মালিংকে মাইগ্রেট করার প্লাগইন ব্যবহার করতে পারি। এক্ষেত্রে অবশ্যই ৩০১ রিডাইরেক্টশন ব্যবহার করবেন। ৩০১ রিডাইরেক্টশন চেকারের মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার রিডাইরেক্ট হওয়া পার্মালিংকগুলো চেক করতে পারবেন। আর হ্যা, পার্মালিংক পাল্টালে অবশ্যই সাইটম্যাপ রিজেনারেট করবেন, সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করবেন।

সাইটম্যাপ মিসিং
 কোনো সাইটের বিভিন্ন পোস্ট সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স করার জন্য সাইটম্যাপের ভূমিকা অত্যাধিক। আপনি অবশ্যই আপনার সাইটের সাইটম্যাপ সম্পর্কে নিশ্চিত থাকবেন এবং সেটিতে যেনো আপনার সব পোস্টের লিংক থাকে। সাইটম্যাপ হিসেবে গুগল এক্সএমএল সাইটম্যাপ ও ওয়ার্ডপ্রেস এসইও প্লাগইন খুবই জনপ্রিয়। প্রয়োজনে আপনি ছবি ও ভিডিও ইনডেক্সের জন্য এ ধরণের প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। আপনার সাইটে যদি বেশি পরিমানে ভিডিও থাকে তাহলে আপনি ইয়স্ট ভিডিও এসইও প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। আপনার সাইটের ফুটারে সাইটম্যাপ লিংকও রাখতে পারেন, এটি সার্চ ইঞ্জিনকে অতি সহজেই সাইটম্যাপ বুট করার কাজে সহায়তা করবে। আপনাকে অবশ্যই সাইটম্যাপে কোনো লিংক মিসিং হচ্ছে কিনা সেটি কিছুদিন পরপর পরীক্ষা করা উচিত। প্রয়োজনে সাইটম্যাপটি আনচেক করে পুনরায় চেক করতে হবে।

এইচটিএক্সেস ফাইল
 পার্মালিংক রিডাইরেক্টশন অথবা এইচটিএক্সেস অপটিমাইজেশন সমাধানের জন্য কিছু ব্লগার এইচটিএক্সেস ফাইল পরিবর্তনের কথা জানান। এটি একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, তাই এই ফাইলটি পরিবর্তণের সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পরিবর্তণ করতে চাইলে অবশ্যই আগে এই ফাইলটির ব্যাকআপ নিয়ে নেবেন। এই ফাইলে কোনো ধরনের মিসিং হলে শুধু ট্রাফিক নয়, আপনার সাইটটি ডাউন হয়ে যেতে পারে। আপনি যদি এইচটিএক্সেস ফাইল পরিবর্তনের জন্য মেটা রোবট প্লাগইন ব্যবহার করে থাকেন, তবে অবশ্যই আপনার সিপ্যানেল বা এফটিপিকে কোনো পরিবর্তণ আনডু করার ব্যবস্থা রাখবেন।

রোবট.টেক্সট ফাইল
 রোরট.টেক্সট কোনো সাইটের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল। যখন সার্চ ইঞ্জিন বট আপনার ব্লগে আসে, তখন এই ফাইলই নির্ধারণ করে সার্চ ইঞ্জিন কোন পোস্ট বা পেজ ইনডেক্স এবং ক্রল করবে। তাই আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থানে রাখতে অবশ্যই রোবট.টেক্সট ফাইলকে ভালোভাবে অপটিমাইজ করবেন। কখনোই বেশিরভাগ ফাইল বা পেজকে ডিজঅ্যালাউ করে রাখবেন না।

থিম কাস্টোমাইজেশন
 আপনি যখন আপনার সাইটের থিম কাস্টোমাইজেশন করবেন তখন অবশ্যই এগুলো একটি ডকুমেন্ট রেখে দেবেন। পরবর্তীকে কোনো সমস্যা হলে আপনি এই পরিবর্তনগুলো সহজেই চিহ্নিত করে আগের অবস্থায় নিয়ে আসতে পারবেন। কারণ ফ্রি থিমগুলোর ক্ষেত্রে অনেক সময় আপনার ব্যবহৃত প্লাগইনের সামঞ্জস্য না থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। কিছু কিছু প্লাগ-ইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক করেও থাকে।

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন
 আপনার সাইটে অবশ্যই প্রয়োজনীয় প্লাগইন ছাড়া অহেতুক কোনো প্লাগইন ব্যবহার বা ইনস্টল করে রাখবেন না। অনেক সময় অনাকাংখিত প্লাগইন বা প্লাগইনের ব্যবহার বেশি হলে সাউটের লোডিং টাইম বেশি হয়ে যায়। যা ভিজিটর হারানোর ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। তাই কোনো প্লাগইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই এটির রিভিউ পড়ে নিবেন এবং এটি আপনার সাইটে সাপোর্ট করবে কিনা সেটি পরীক্ষা করে নিবেন।

এসইও টাইটেল ও ডেসক্রিপশন
 আপনি যদি অল ইন এসইও, ইয়স্ট ওয়ার্ডপ্রেস এসইও বা অন্যকোনো জনপ্রিয় এসইও প্লাগইন ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এসইও টাইটেল এবং মেটা ডেসক্রিপশনের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। অন্যথায় সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে থাকা আপনার জন্য কষ্টকর হয়ে যেতে পারে।

থিম পরিবর্তণ
 অনেকেই কারণে অকারণে থিম পরিবর্তণ করেন। আপনার সাইটের বিষয়বস্তুর সাথে মানানসই একটি ফ্রি অথবা প্রিমিয়াম থিম যেমন জেনেসিস বা থিসিস থিম ব্যবহার করতে পারেন। ফ্রি থিম বা প্রিমিয়াম থিম নিয়ে বিতর্কে যেতে চাই না, তবে প্রিমিয়াম থিমে অনেক ধরণের অ্যাডভ্যান্টেজ বা বাড়তি ফিচার থাকে। ইনস্টল করার আগেই থিমটিতে কোনো ক্ষতিকর ফাইল বা স্পাইওয়ার, ভাইরাস, স্প্যাম ফাইল না থাকে সেটি পরীক্ষা করে নিবেন।

ব্লগ সিকিউরিটি
 আপনি যদি ফ্রি থিম ব্যবহার করে থাকেন তবে আগেই এটিতে ম্যালিসিয়াস বা স্প্যাম ফাইল আছে কিনা সেটি পরীক্ষা করে নিবেন। কারণ অনেক ক্ষেত্রে এ ধরণের ফাইল আপনার সাইটের ভিজিটরদেরকে অন্য সাইটে রিডাইরেক্ট করে দিতে পারে। তাই আপনার সাইটের সিকিউরিটির বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ট্যাক (থিম অথেনটিসিটি চেকার) প্লাগইনটি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া সিকিউরিটি প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন।
এসইও পরিবর্তণ

 আপনি আপনার ব্লগে যে এসইও প্লাগইন ব্যবহার করেন না কেনো এটি পরিবর্তণ করতে যাবেন না। যদি আপনি আরো ভালো প্লাগইন বা প্লাগইনের পরিবর্তে ভালো পেইড থিম ব্যবহার করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই নিশ্চিত থাকবেন যে আপনার এসইও টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন যেনো ঠিক থাকে। কারণ এটির পরিবর্তণ হলে আপনার সাইটের ট্রাফিকের ক্ষেত্রে বিরুপ প্রভাব ফেলবে।

ব্লগ ব্যাকআপ
 বিপদ কখনো বলে আসে না! তাই আপনার সাইটের কোনো ধরণের দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেতে নিয়মিত সাইটের ব্যাকআপ রাখুন। ফলে প্রয়োজনে আপনি সহজেই আপনার সাইট রিস্টোর করতে পারবেন। ব্যাকআপ রাখার জন্য অনেক উপায় আছে। সম্ভব হলে দিনে একবার অথবা প্রতি সপ্তাহে একবার আপনার সাইটের ম্যানুয়ালি অথবা অটোমেটিক ব্যাকআপ রাখুন। প্রিমিয়ামের দিক থেকে অবশ্যই ভল্টপ্রেস ভালো। এটি একসাথে আপনার সাইটের সিকিউরিটি ও অটোমেটিক ব্যাকআপ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Tips for Photography work Professionalism

ডিজিটাল ক্যামেরার যুগে নেই ফিল্ম ডেভেলপের ঝামেলা। সে ছবি দিয়ে ওয়েব অ্যালবাম করতে পারেন। আবার অসম্ভব ভালো ফটো তুলে ফেলতে পারলে জিতে নিতে পারেন পুরস্কারও। এ রকম কয়েকটি সাইট নিয়ে আজকের আলোচনা।

http://www.photoshare.org/
ফটোশেয়ার হচ্ছে জন হপকিন্স বুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি সার্ভিস। এ সার্ভিসের মাধ্যমে তারা
সারা বিশ্বে অলাভজনক সংগঠনগুলোকে সহায়তা করে আসছে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে। এখানে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের ছবি জমা দিতে পারবেন। শুধু জমা নয়, প্রয়োজনে ডায়েরি, ক্যালেন্ডার, পোস্টার বা যে কোনো পাবলিকেশনে ব্যবহারের জন্য ছবি এখান থেকে সংগ্রহও করা যায়। এ কার্যক্রমটিকে জনপ্রিয় করার জন্য সংগঠনটি ২০০৩ সাল থেকে নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। ২০০৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে পাঠানো ছবি শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার করে। এ বছরও এ রকম একটি প্রতিযোগিতা হয়ে গেল। এ সাইটে সারা বছরই ছবি পাঠানো যায়। আর ছবি সাবমিট করা যায় একেবারে বিনামূল্যে।

http://www.interaction.org/
ইন্টারঅ্যাকশন হচ্ছে ইউএস বেসড বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি কোয়ালিশন। তারাও ফটোগ্রাফিকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে। ২০০৪ সাল থেকে তারা ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা করে আসছে। অ্যামেচার এবং প্রফেশনাল যে কেউ এটিতে অংশ নিতে পারে। এ সাইটে যে পেজে আপনি ফটো সাবমিট করতে পারবেন তার ওয়েব অ্যাড্রেস হলো http://www.interaction.org/media/photo_form_2007.html

http://picasaweb.google.com
পিকাসা একটি জনপ্রিয় ফটো অর্গানাইজিং সফটওয়্যার। বর্তমানে পিকাসা গুগলের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। এ সফটওয়্যারটি গুগল বিনামূল্যে বিতরণ করে থাকে। পিকাসা এবং গুগল সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি ওয়েব সার্ভিস চালু করেছে, যার নাম পিকাসা ওয়েব অ্যালবাম। গুগল শুধু জি-মেইল ব্যবহারকারীদের এ সুবিধা দেয়। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি অ্যাকাউন্টের বিপরীতে আপনি পাবেন ১ গিগাবাইট স্পেস, যেখানে স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটির ৪,০০০ ছবি রাখা সম্ভব। পিকাসা সফটওয়্যার ব্যবহার করে অথবা ওয়েব অ্যালবাম থেকে সরাসরি ছবি আপলোড করা যায়। ছবিগুলো ভিন্ন অ্যালবাম তৈরি করে সাজিয়ে রাখা যায়। ও লিঙ্ক পাঠিয়ে অন্য যে কারো সঙ্গে ছবি শেয়ার করা যায়। আবার অপরের তৈরি অ্যালবামটি ডাউনলোড করেও নেয়া যায়। ছবিতে কমেন্ট দিতে পারবেন। তবে আপনি যে অ্যালবামগুলো পাবলিক করবেন, শুধু সেগুলো সবাই দেখতে পারবে। এসব কিছুই আপনি পাবেন বিনামূল্যে। অবশ্য অতিরিক্ত স্পেসের জন্য গুগলকে চার্জ দিতে হয়।

http://www.flickr.com/
ফ্লিকার একটি জনপ্রিয় সাইট। এটি ইয়াহু কম্পানির একটি শাখা প্রতিষ্ঠান। ইয়াহুতে যাদের অ্যাকাউন্ট আছে তারা সরাসরি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। এতে প্রচুর ছবি আর্কাইভ করা আছে। ফ্লিকারের মাধ্যমে খুব সহজেই অ্যালবাম তৈরি করা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করা যায়। এখানে ছবি অর্গানাইজ করার জন্য বেশ কিছু অপশন আছে। পরিচিতজনদের সঙ্গে ছবির আদান-প্রদান করা যায়। বন্ধুর নতুন ছবি আপলোডের সঙ্গে সঙ্গেই আপনি জেনে যাবেন। আলাপ-আলোচনার জন্য কয়েকজনকে নিয়ে গ্রুপ তৈরি করা যায়। সেটি হতে পারে পাবলিক অথবা পুরোপুরি প্রাইভেট। ফ্লিকার প্রতি ক্যালেন্ডার মাসে ১০০ মেগাবাইট ছবি আপলোডের সুবিধা দেয়। তবে তাদের প্রো-অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হলে বছরে ২৫ ডলার দিতে হয়।

http://www.bdshots.com
এটি একটি বাংলাদেশি সাইট। এখানে বেশ কিছু অ্যালবামের মাধ্যমে ছবিগুলো সাজানো হয়েছে। আছে ই-কার্ড। এখান থেকে খুব সহজে পরিচিতজনদের বিভিন্ন দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে ই-কার্ড পাঠাতে পারবেন। প্রতিটি অ্যালবামের মধ্যে আবার সাব-অ্যালবামের মাধ্যমে ছবিগুলো বিন্যস্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ অ্যালবামের ভেতরে যে বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে তা হলো প্রাকৃতিক দৃশ্য, বিল্ডিং ও স্থাপত্য শিল্প, ঐতিহাসিক নিদর্শন, ফুল-ফল, পাখি, ধর্মীয় স্থাপনা এবং আরো অনেক কিছু।
আপনার নিজের ফটো অ্যালবাম তৈরি করতে পারবেন এখানে। সে জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। বন্ধুদের লিঙ্কটি পাঠিয়ে দিতে পারেন অথবা আপনার ছবিকে ই-কার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
সাইটটির যা নেই তা হচ্ছে কোনো চুক্তিপত্র। ছবি জমা দেয়ার সময় বা নেয়ার সময় কোনো চুক্তি করতে হচ্ছে না। এর ফলে এ সাইটের যে আইনি সমস্যা সেটা হলো যে কেউ ইচ্ছা করলে এখান থেকে ছবি নিতে পারবেন; কিন্তু সে ছবিটি কোথাও ব্যবহার করতে হলে ন্যুনতম যে শর্তগুলো অনুসরণ করতে হয় তার উল্লেখ নেই।
উল্লেখ্য, এ সাইটটি তৈরি হয়েছে একটি ওপেন সোর্স টুল ব্যবহার করে। আপনারা যারা ফটো গ্যালারির একটি সাইট তৈরি করতে চান তারা এটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ডাউনলোড করার ওয়েব ঠিকানা http://gallery.sourceforge.net

Free Develop your Website

একটি ওয়েবসাইট আপনার প্রতিষ্ঠানকে পরিচিত করাতে পারে সমগ্র বিশ্বের সাথে অন্য যে কোনো উপায়ের চেয়ে দ্রুত ও সহজে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই প্রজন্মে ওয়েবসাইটই পারে আপনার প্রতিষ্ঠানের তথ্যাদি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য ওয়েবসাইট। এসব সাইটের একেকটি একেক ধরনের উদ্দেশ্যে তৈরি। এগুলোর কোনোটা ব্যক্তিগত, কোনোটা প্রাতিষ্ঠানিক। ইচ্ছা করলে আপনিও আপনার প্রতিষ্ঠানের কিংবা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। তবে আমরা জানি ওয়েবসাইট তৈরি করা একটি ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার। প্রথমে আপনার সাইটের জন্য প্রয়োজন হবে নিজস্ব নাম যাকে ডোমেইন বলা হয়ে থাকে। এই ডোমেইনটি আপনাকে কিনতে হবে। এখানেই শেষ নয়। ডোমেইন ক্রয়ের পর আপনাকে হোস্টিংয়ের জন্যও দ্বারস্থ হতে হবে বিভিন্ন কোম্পানির। হোস্টিং হচ্ছে একটি জায়গা বা স্থান যেখানে আপনার সাইটের কন্টেন্ট যেমন ছবি, অডিও-ভিডিও ইত্যাদি সংরক্ষিত থাকে। এই হোস্টিংয়েও রয়েছে বিভিন্ন ধরণের প্ল্যান। সর্বনিম্ন ২০ মেগাবাইট থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাইজের হোস্টিং কিনতে পারবেন আপনি। ডোমেইন ও হোস্টিং পেলে তারপরই আপনি আপনার সাইট প্রকাশ করতে পারবেন।
কিন্তু ইন্টারনেটে এমন কিছু সেবাদাতা ওয়েবসাইট আছে যারা আপনাকে সহজেই ওয়েবসাইট তৈরির সুযোগ দেবে। ওয়েবসাইট তৈরিতে সাধারণত কোডিংয়ের প্রয়োজন হয় কিন্তু এসব সেবার মাধ্যমে আপনি কোনোপ্রকার কোডিং ছাড়াই আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। শুধু এতটুকুই নয়, এইসব সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাকে বিনামূল্যে সাইট তৈরি করার সুযোগও দেবে। তবে সেসব সেবায় অবশ্য কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। যেমন, আপনাকে সাবডোমেইন দেয়া হবে, আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন দেয়া হতে পারে ইত্যাদি। তো, আসুন জেনে নিই তেমন কিছু জনপ্রিয় ও বিখ্যাত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কথা।


ফিফটি ওয়েবস (http://www.50webs.com/)
প্লেইন এইচটিএমএল দিয়ে তৈরি ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম হচ্ছে ফিফটি ওয়েবস। ফিফটি ওয়েবসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে নো অ্যাডস বা কোনো বিজ্ঞাপন না দেয়া। সাধারণ কোডিংয়ে তৈরি (যেমন ফ্রন্টপেজ ব্যবহার করে তৈরি ওয়েবসাইট) সাইট হোস্টিংয়ের জন্য অনন্য একটি সার্ভিস হচ্ছে ফিফটি ওয়েবস। ফিফটি ওয়েবসের প্রিমিয়াম ও ফ্রি উভয় ধরণের সেবাই আছে। যেহেতু আমরা বিনামূল্যে ওয়েবসাইট তৈরি করতে যাচ্ছি, তাই আসুন জেনে নিই ফিফটি ওয়েবসের ফ্রি ওয়েব হোস্টিং পরিকল্পনায় কী কী আছে।
ফিফটি ওয়েবস ব্যবহার করলে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ৬০ মেগাবাইট পর্যন্ত জায়গা। বিজ্ঞাপণমুক্ত পরিবেশে সাইট নির্মাণের সুবিধা প্রদানকারী এই সার্ভিসে আপনি আপনার ফাইল আপলোড করার জন্য পাবেন একটি এফটিপি অ্যাকাউন্ট যাতে এক্সেস নেয়া যাবে যে কোনো কম্পিউটার থেকে। আনলিমিটেড ব্যান্ডওয়াইডথ ও পপ-থ্রি সার্ভার ছাড়াও ফিফটি ওয়েবস ব্যবহারকারীরা পাবেন সহজ কন্ট্রোল প্যানেল ও ওয়েবভিত্তিক ফাইল ম্যানেজার। এছাড়াও ছোটখাট সম্পাদনার জন্য রয়েছে বিখ্যাত এডিটর। এছাড়াও প্রতিটি অ্যাকাউন্টের সাথে পাবেন একটি করে ইমেইল অ্যাকাউন্ট। ফিফটি ওয়েবসে অ্যাকাউন্টের জন্য তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফ্রি প্ল্যানে সাইন আপ বাটনে ক্লিক করুন। তারপর ইউজ এ সাবডোমেইন এ টিক দিয়ে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন এবং প্রদর্শিত ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করুন। লক্ষ্য করুন, ফিফটি ওয়েবসে সাইট তৈরি করার পর আপনাকে একটি সাবডোমেইন দেয়া হবে। যেমন : http://yoursitename.50webs.com/

ফ্রি হোস্টিয়া (http://www.freehostia.com)

ফ্রি হোস্টিয়া হচ্ছে ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অনন্য একটি সেবা। যারা ওয়েবসাইট তৈরিতে একটু অ্যাডভান্সড, যারা পিএইচপি দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান কিংবা যারা সিএমএস জুমলা, দ্রুপাল কিংবা ব্লগ ইঞ্জিন ওয়ার্ডপ্রেস, মুভেবল টাইপ ইত্যাদি ইন্সটল করে ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য ফ্রি হোস্টিয়া হচ্ছে পারফেক্ট একটি সার্ভিস। প্রায় সবধরণের সুবিধাসম্পন্ন এই সার্ভিসের আওতায় আপনি পাবেন একটি সাবডোমেইন ও ২৫০ মেগাবাইট জায়গা। কোনো সেটাপ ফি নেই এবং মাসিক ব্যান্ডওয়াইডথ হচ্ছে ৫ গিগাবাইট। সর্বোচ্চ দশটি সাবডোমেইন রেজিস্টার করতে পারবেন আপনি ফ্রি হোস্টিয়া ব্যবহার করে এবং একটি মাইএস.কিউ.এল ডাটাবেস পাবেন যার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা হবে ১০ মেগাবাইট। পপ-থ্রি অ্যাকাউন্ট পাবেন তিনটি এবং এফটিপি অ্যাকাউন্ট পাবেন একটি। এছাড়াও আপনি ফ্রি হোস্টিয়ার ব্যবহারবান্ধব ওয়েববেসড ফাইল ম্যানেজারও ব্যবহার করতে পারবেন সহজেই। ৯৯.৯% আপটাইমের গ্যারান্টিসহ ফ্রি হোস্টিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় সেবা হচ্ছে ফ্রি স্ক্রিপ্ট ইন্সটলেশন। সাধারণত জুমলা বা ওয়ার্ডপ্রেস জাতীয় ইঞ্জিন ইন্সটল করতে হলে আপনাকে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে মূল ফাইলটি ডাউনলোড করতে হবে এবং ডিকম্প্রেস করার পর এফটিপি ক্লায়েন্স ব্যবহার করে আবার তা আপলোড করতে হবে আপনার এফটিপিতে। কিন্তু ফ্রি হোস্টিয়া ব্যবহারকারীদের এই ঝামেলা নেই। একটি ক্লিকের বিনিময়েই আপনি বিখ্যাত ব্লগ ইঞ্জিন ওয়ার্ডপ্রেস, টেক্সটপ্যাটার্ন, মুভেবল টাইপ, বি২ইভ্যুলেশন ইত্যাদি, সিএমএস জুমলা, দ্রুপাল, ওপেন রিয়েলটি, নিউক্লিয়াস ইত্যাদিসহ প্রায় ৩৪টি বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন ইন্সটল করতে পারবেন। ফ্রিহোস্টিয়ায় ওয়েব হোস্ট করলে আপনার সাইটে কোনো বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করা হবে না। ফ্রিহোস্টিয়ায় আপনি ফিফটি ওয়েবসের মতই সাবডোমেইন পাবেন। আপনার সাবডোমেইন হবে এরকম: http://aisajib.freehostia.com। তবে ফ্রিহোস্টিয়ায় যদি আপনি সাইট তৈরি করেন, তাহলে আপনাকে প্রতি বছর আপনার অ্যাকাউন্টকে নবায়ন তথা রিনিউ করে নিতে হবে।

জাইমিক ফ্রি হোস্টিং (http://www.zymic.com/)
ফ্রি হোস্টিয়ার মত জাইমিক ফ্রি হোস্টিংও একটি জনপ্রিয় ওয়েব ডেভেলপিং সেবা যেখানে আপনি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন। জাইমিক প্রিমিয়াম সার্ভিসের পাশাপাশি বিনামূল্যের সেবায় আপনাকে দিবে ৫০০০ মে.বা. এর এক বিশাল স্পেস। পিএইচপি মাইএডমিন ও ৫টি মাইএসকিউএল ডাটাবেসের সুবিধা সম্বলিত জাইমিক ফ্রি হোস্টিংয়ে সাবডোমেইনে যত ইচ্ছে ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন। এটি ফ্রি হোস্টিয়ার মত কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বা এই জাতীয় ইঞ্জিন সাপোর্ট করে তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অন্য একটি এফটিপি ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও ছোটখাট সম্পাদনা, ফাইল আপলোড বা ডিলিটের জন্য জাইমিকের আছে ওয়েববেসড ফাইল ম্যানেজার। মাইএসকিউএল ডাটাবেস সেটিংসের জন্যও আছে ওয়েববেসড মাইএসকিউএল ম্যানেজমেন্ট সুবিধা। আপনার সাইটের স্ট্যাটিস্টিকস সম্বন্ধে আপনাকে আপডেটেড রাখার জন্য জাইমিকের আছে নিজস্ব ওয়েবকাউন্টার, ওয়েবএলাইজার যা আপনার সাইট কতজন ব্যবহারকারী ভিজিট করেছেন তা সম্বন্ধে তথ্য প্রদর্শন করবে। যারা প্রফেশনাল ওয়েব হোস্টিং করতে চান তাদের জন্য জাইমিক হতে পারে সঠিক সেবা। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এতকিছুর বিনিময়েও জাইমিক আপনার সাইটে কোনো বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করবে না। অর্থাৎ, আপনার সাইট হবে ঠিক তেমনই, যেমনটা আপনি চান। কোনো বাড়তি বিজ্ঞাপণ আপনার সাইটকে দৃষ্টিকটু করবে না। যদিও জাইমিকে সিএমএস বা এজাতীয় ইঞ্জিন ইন্সটল করার সহজ কোন সুবিধা নেই, তবুও ৫০০০ মেগাবাইটের ওয়েবস্পেস ও মাসিক ৫০,০০০ মেগাবাইট ডাটা ট্রান্সফারের সুবিধা সম্বলিত জাইমিক ফ্রি হোস্টিং সত্যিই অসাধারণ একটি সেবা। জাইমিক ফ্রি হোস্টিংয়ে হোস্ট করা সাইটের ঠিকানা হবে এমন: http://yoursitename.vndv.com/

ইয়াহু জিওসিটিস (http://geocities.yahoo.com)
বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ইয়াহুতে অ্যাকাউন্ট নেই এমন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ইমেইল সুবিধার জন্যই হোক, কিংবা ইয়াহু মেসেঞ্জারে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করার জন্যই হোক, ইয়াহুতে অ্যাকাউন্ট মোটামুটি সবারই আছে। ইয়াহুকে অনেকেই একটি ইমেইল সেবদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জানলেও মূলত ইয়াহুর আছে অনেক অনেক সেবা। ওয়েবসাইট ডেভেলপিংয়ের জন্যও আছে ইয়াহুর সার্ভিস। এমনকি আপনি চাইলে বিনামূল্যেও সাইট তৈরি করতে পারেন ইয়াহুর ফ্রি ওয়েব ক্রিয়েটিং সেবা, জিওসিটিস এর মাধ্যমে। যারা মোটামুটি একটি সাইট তৈরি করতে চান কোনো প্রকার কোডিং ছাড়াই, তাদের জন্য জিওসিটিস একটি ভালো সেবা হতে পারে। যদিও জিওসিটিস মাত্র ১৫ মেগাবাইট জায়গা দেয়, তবুও প্রাথমিকভাবে আপনি ইয়াহু জিওসিটিস ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ইয়াহু জিওসিটিসে সাইট নির্মাণ করলে আপনার সাইটের ঠিকানা হবে http://www.geocities.com/youryahooid

গুগল সাইটস (http://sites.google.com)
ইয়াহুর মত গুগলেরও আছে সহজে কোডিংয়ের অভিজ্ঞতা ছাড়া সাইট নির্মাণের সেবা। বলা বাহুল্য, ইয়াহু জিওসিটিসের চেয়ে গুগলের ওয়েব ডেভেলপিং সেবা বেশি জনপ্রিয়। গুগলের এই সেবার নাম ছিল গুগল পেজ ক্রিয়েটর। জিমেইল আইডি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা আকর্ষণীয় ওয়েবসাইট নির্মাণ করতে পারতেন। কিন্তু সম্প্রতি গুগল গুগল সাইটস নামে নতুন একটি সেবা চালু করেছে। গুগল সাইটসে আপনি আপনার জিমেইল আইডি ব্যবহার করে প্রবেশ করতে পারবেন। এখানে আপনি পাবেন ১০০মেগাবাইট জায়গা, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। গুগল সাইটসে আপনি শুধু প্রাথমিকভাবে শেখার জন্যই নয়, প্রয়োজনীয় সাইটও নির্মাণ করতে পারেন খুব সহজে। এর সহজ ও সুন্দর ইন্টারফেসে আপনি গুগল নির্ধারিত টেমপ্লেটের উপর সাইট নির্মাণ করতে পারবেন। গুগল সাইটসের রয়েছে ২৩টি আকর্ষণীয় থিম যা আপনার সাইটের সৌন্দর্য্য বহুগুণে বৃদ্ধি করে দিবে। গুগল সাইটসে আপনি একাধিক সাইট নির্মাণ করতে পারবেন। আপনার সাইটের ঠিকানা হবে : http://sites.google.com/site/yoursitename। প্রতিটি সাইটে আপনি একাধিক পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারবেন। সাব-পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারবেন। এছাড়াও সাইটের সাইডবারে ওয়েবসাইটের সাম্প্রতিক কার্যক্রম, কোনো নির্দিষ্ট দিনের জন্য কাউন্টডাউন, নেভিগেশন কিংবা কিছু টেক্সট লিখে উইজেট আকারে রাখা যাবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনি চাইলে এই সাইট কারা কারা সম্পাদনা করতে পারবে বা কে কে দেখতে পারবে সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারেন। এছাড়াও আপনি আপনার নিজের অন্য কোনো ঠিকানাতেও এই সাইটটি
প্রদর্শন করতে পারেন।
সব মিলিয়ে গুগল সাইটস নতুন সাইট নির্মাতাদের জন্য অসাধারণ একটি সেবা। আপনি ইচ্ছে করলে গুগল সাইটস ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আকর্ষণীয় সাইট নির্মাণ করতে পারেন। উল্লেখ্য, গুগল সাইটস সম্পূর্ণ নতুন একটি সেবা বলে এখনো অনেক সুবিধা এতে এখনো যুক্ত হয়নি যা আগের গুগল পেজ ক্রিয়েটরে ছিল। গুগলের মতে, অতি শীঘ্রই গুগল সাইটসের জন্য যুক্ত করা হবে কার্যকরী ও প্রয়োজনীয় সব সুবিধা।

ফ্রিসার্ভারস (www.freeservers.com)
কোডিংয়ের অভিজ্ঞতা বা সাইট নির্মাণের দক্ষতা ছাড়াই ওয়েবসাইট তৈরি করার আরেকটি জনপ্রিয় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম হচ্ছে ফ্রিসার্ভারস। ফ্রিসার্ভারসের ফ্রি প্ল্যানের আওতায় আপনি পঞ্চাশ মেগাবাইট জায়গার উপর দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। মাসিক ১ গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইডথের এই সেবায় আপনি পাবেন ফাইল ম্যানেজার, কাউন্টার, সাইট ভিজিটরের মন্তব্য গ্রহণের জন্য গেস্টবুক, সহজে সাইট তৈরি করার জন্য সাইট বিল্ডার, সাইট কপিয়ার, ওয়েবরিং ইত্যাদি। তবে ফ্রিসার্ভারসে সাইট তৈরি করলে আপনার সাইটে বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করবে ফ্রিসার্ভারস। এছাড়া যে ইমেইল ঠিকানা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করবেন, সে ইমেইলে নিয়মিত বিজ্ঞাপণ আসার ঝামেলা তো রয়েছেই। তবে সব মিলিয়ে মোটামুটি একটি সাইট নির্মাণের জন্য ফ্রিসার্ভারস ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
ওয়েবসাইট প্রযুক্তির এক অনন্য আবিষ্কার। আপনি সম্পূর্ণ একটি অফিসের কাজ সেরে নিতে পারেন সাধারণ একটি ওয়েবসাইট দিয়ে। এছাড়াও ওয়েবসাইটের রয়েছে অসংখ্য ব্যবহার ও উপকারিতা। তাই উপরের পাঁচটি সাইট থেকে পছন্দমতো সেবা বেছে নিয়ে আপনিও তৈরি করুন আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট, বিনামূল্যে। আর প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে সবসময় রাখুন এক ধাপ আগে।

Sunday, January 26, 2014

Android phone tips for Battery Life


স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ব্যাটারি। আপনার স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ অথবা আইফোন যাই হোক না কেন সব ক্ষেত্রেই ব্যাটারি লাইফ এর গুরুত্ব সমান। সাধারণত পিক্সেল ডেনসিটি বেশি থাকা ডিভাইসগুলোতে একদিনের বেশি চার্জ থাকে না। তো চলুন আমরা দেখি কিভাবে আপনি আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বাড়াতে পারেন।

১) আপনার ডিভাইসে যদি OLED, AMOLED অথবা Super AMOLED ডিসপ্লে থাকে, সেক্ষেত্রে ব্রাইট ওয়ালপেপার এবং থিম কমপক্ষে আপনার ডিভাইসের ২০% চার্জ খুব দ্রুত শেষ করে দিবে। তাই ডিভাইস হোমস্ক্রিনে একটু ডার্ক ব্যাক গ্রাউন্ড ব্যবহার করাই ভাল। এতে ব্যাটারি খরচ কম হবে।

২) AMOLED ডিসপ্লে সমৃদ্ধ ডিভাইসগুলোতে ডার্ক হোম স্ক্রিনের পাশাপাশি আপনি অ্যাপ ড্রয়ারে ডার্ক ওয়ালপেপার এবং বিভিন্ন লঞ্চার-এর ক্ষেত্রে একটু ডার্ক থিমগুলো ব্যবহার করে দেখুন। অবশ্যই আপনার ব্যাটারি সেভ হবে।

৩) এবার আসি অটো ব্রাইটনেস এর কথায়। অনেকের মাঝে ভুল ধারণা রয়েছে যে অটো ব্রাইটনেস ব্যবহার করলে চার্জ বেশি থাকে। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ আপনি যখন আপনার ডিভাইসে অটো বাইটনেস দিয়ে রাখেন তখন প্রয়োজনের তুলনায় ডিসপ্লে অনেক ব্রাইট থাকে যার কারণে অধিক চার্জ খরচ হয়। এক্ষেত্রে অটো ব্রাইটনেস এর পরিবর্তে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী লো ব্রাইটনেস সেট করে নিন।

Battery Life

৪) অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের আরেকটি ফিচার যা আপনার ব্যাটারির চার্জ কমিয়ে দেয় তা হল ভাইব্রেশন। যখন কল আসে এবং হেপটিক ফিডব্যাক এর কারণে ফোন ভাইব্রেট করে । এছাড়া অনেকেই কিবোর্ডে ভাইব্রেশন অন করে রাখেন, ফলে টাইপ করার সময় বার বার ডিভাইস ভাইব্রেট হয়। আর এই ভাইব্রেশনের জন্য যে চার্জের প্রয়োজন হয় তা আপনার ব্যাটারি থেকেই আসে। তাই ভাইব্রেশন অফ করে রাখলে ব্যাটারির চার্জ অনেকটাই সেভ হবে। Settings > Sound এ যেয়ে vibrate when ringing এবং Vibrate on touch অপশন দুইটি অফ করে দিন।

৫) আপনি যদি আপনার ডিভাইস থেকে ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ আশা করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই সবসময় অরিজিনাল ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে। যদি কোন কারণে আপনার অরিজিনাল ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায় তবে নতুন ব্যাটারি কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভাল ব্যাটারি বেছে নিতে হবে। টাকা একটু বেশি খরচ হলেও আপনার ডিভাইস ভাল থাকবে।

android battery

৬) ডিসপ্লে টাইমআউট অপশনের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। ডিসপ্লে টাইমআউট কাজ হল একবার আপনি আপনার ডিভাইস স্ক্রিন অন করার পর কত সময় পর এটি অফ হবে তা নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা সবাই জানি সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলোতে সবচেয়ে বেশি চার্জ খরচ করে থাকে ডিসপ্লে। কারণ এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, একজন ইউজার দিনে প্রায় ১৫০ এর অধিকবার স্ক্রিন অন করে থাকেন। তাই যত বেশি সময় আপনার ডিভাইস স্ক্রীন অন থাকবে তত চার্জ যাবে। তো এক্ষেত্রে আপনি ডিসপ্লে টাইমআউট কমিয়ে রাখলে যথেষ্ট পরিমাণে ব্যাটারি সেভ হবে। সাধারণত ডিসপ্লে টাইমআউট ১৫ সেকেন্ড সেট করাই ভাল।

৭) অনেক ডিভাইসে ”sleep times” এবং স্যামসাঙ ডিভাইস গুলোতে ”blocking mode” নামে একটি অপশন রয়েছে। এই অপশনগুলোর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আপনার ডিভাইসের ডাটা কানেকশন, ওয়াইফাই, ফোন ভাইব্রেশন ইত্যাদি অফ করে রাখতে পারবেন। তাই ব্যাটারি সেভ করার জন্য আপনি এই অপশনটি কাজে লাগাতে পারেন।

Blocking Mode

৮) স্যামসাং ডিভাইসগুলোতে কিছু স্মার্ট ফিচার যেমন air gestures, smart scrolling ইত্যাদি দেয়া থাকে। এই ফিচার ব্যাপক হারে আপনার ডিভাইসের চার্জ খরচ করে। তাই যখন এই ফিচার গুলো আপনার প্রয়োজন হয় না, তখন স্মার্ট ফিচার গুলো অফ করে রাখাই ভালো।

৯) অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ফাইল আদান প্রদান করার জন্য আমরা সাধারণত Bluetooth, NFC এবং ইন্টারনেটের জন্য আমরা ডাটা কানেকশন এবং ওয়াইফাই ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু প্রয়োজন শেষে GPS, Bluetooth, NFC, Wi-Fi অবশ্যই টার্ন অফ করে দিন। এছাড়া প্রয়োজন শেষে লোকেশন ডাটাও অফ করে রাখুন।

notification bar

১০) লকস্ক্রিনে ডিভাইসে থাকা ডিফল্ট উইজেটগুলো ব্যবহার করাই ভাল। কারণ এতে উইজেট এর জন্য কোন আলাদা অ্যাপ ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না। যা প্রতিনিয়ত আপনার ডাটা কানেকশন ব্যবহার করে রিফ্রেশ হবে এবং চার্জ খরচ করবে।

১১) অনেক সময় আমরা হোমস্ক্রিনে কাস্টোমাইজেশন করার জন্য এবং অন্যান্য প্রয়জনে বিভিন্ন উইজেট ব্যবহার করে থাকি। ব্যাটারি সেভ করার জন্য অপ্রয়োজনীয় উইজেট গুলো হোমস্ক্রিন থেকে রিমুভ করে দিতে পারেন।

১২) আমরা অনেক সময় ডিভাইস ইন্সটল করা অ্যাপ গুলো আপডেট করার তেমন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। কারণ অনেকেই মনে করেন অ্যাপ আপডেট করা মানেই অপ্রয়োজনীয় ডাটা খরচ। ভাবাটাই স্বাভাবিক, কারণ আমদের দেশে ইন্টারনেট ডাটা প্ল্যানগুলোতে ডাটার পরিমানের সাথে দামের কোন মিল নেই। যাই হোক ডাটা খরচ হলেও আপনার ডিভাইসের অ্যাপগুলো আপডেট দিন। কারণ ডেভেলপাররা অ্যাপগুলো যাতে কোন সমস্যা ছাড়াই আপনার ডিভাইসে চলে এবং কম চার্জ খরচ করে সে জন্যই আপডেট করে থাকেন।

১৩) বর্তমানে বাজারে থাকা অধিকাংশ ডিভাইসে power saving mode অথবা অন্যান্য ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট অপশন দেয়া থাকে। বিশেষ করে আমাদের দেশের সিম্ফনি এবং ওয়াল্টন ইউজাররা একটু লক্ষ্য করলেই আপনার ডিভাইসে অপশনগুলো খুজে পাবেন। ব্যাটারি সেভ করার ক্ষেত্রে এই অপশন গুলো আপনাকে অনেকটাই সাহায্য করতে পারে।

১৪) বিভিন্ন কাস্টম রমে সিপিইউ ওভার ক্লক বা আন্ডার ক্লক করার অপশন থাকে। সিপিইউ আন্ডার ক্লক করে আপনি আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি খরচ কমাতে পারেন।

১৫) সর্বশেষ আপনার ডিভাইসে যদি auto-sync অন করা থাকে তাহলে তা অফ করে দিন। কারণ auto-sync অন থাকলে প্রতি ১৫ মিনিট পর আপনার ডিভাইসের গুগল অ্যাকাউন্ট রিফ্রেশ হয়। তাই ডিভাইসের Settings>Google account এ যেয়ে auto-sync অফ করে দিন।

auto sync

আপনার ব্যাটারি লাইফ বাড়াতে এই ১৫ টি টিপস অনুসরণ করলে আপনি অনেকটা সফল হবেন বলে আশা করা যায়।

Most-7-condition-about-online-earning

অন্যান্য দেশের সাথে আমাদের দেশেও ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যতিক্রম নয়। তবে লক্ষণীয় বিষয়, বিশেষ করে আমাদের দেশে গত কয়েক বছরে প্রায় ৩ গুনেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে। এটাকে সাধুবাদ জানাতেই হবে। কারণ, প্রযুক্তি পণ্যের অপ্রতুলতার, ধীর গতি ও উচ্চ মূল্যের ইন্টারনেট এবং ইলেক্ট্রিসিটি এর বাঁধার মধ্যে থেকেই আমাদের দেশের তরুণরা নিজ চেষ্টায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নিজেদের। এরপরেও আমরা সফল হচ্ছি। কিন্তু… !





বর্তমান সময়ে আমরা বা আমাদের তরুণ সমাজ যেভাবে ইন্টারনেটের সাথে মিশছে তাতে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে গড়ে খুব বেশি হলে ২০-৩০ জন আসছেন সময়ের সাথে নিজেদের যোগ্যতা অর্জন করে ভাল কিছু করে, জেনে এবং নিজের প্রফেশনাল ক্যারিয়ারের সাথে সমন্বয় রেখে। আর বাকিরা আসছেন অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে “ইন্টারনেটে আয়” নামক সোনার হরিণ খুঁজতে। হয়তো অনেকের মনে প্রশ্ন আসবে। সবাইতো করে এতে নতুন করে প্রবলেম কি? হ্যাঁ, প্রবলেম অবশ্যই আছে। কারণ, অপরিণত জ্ঞান নিয়ে যত আয়ের পিছনে ছুটবে তাঁর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য সেটা হবে অনেক “বড় ভুল”! আবারো বলবেন কেন ভুল? হ্যাঁ, অবশ্যই “বড় ভুল”! কারণ, আপনি অপরিণত জ্ঞান নিয়ে মার্কেটপ্লেসে চলবেন, সেখানে আপনি যা চাইবেন সেটা করতে পারবেন না। ভুল বসত যদি কোন কাজ পেয়েও জান, তবে সেটা ভাল মত না জানার কারণ প্রপার্লি সাবমিট করতে পারবেন না। ফলে একদিকে নিজের ক্ষতি অন্যদিকে দেশের রেপুটেশন খারাপ করলেন। আর অনেক প্রবলেমই আপনি পরবেন। সেগুলো নিয়ে এখানে আলোচনা করবো না কারণ আমি শুধু টেকনিক্যালি আলোচনা করবো কিভাবে একজন নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে আয়ের পিছনে ছুটবেন। এবং অবশ্যই সেটা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে। তো চলুন মূল আলোচনায়…

১. কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার শিখুন:

আমাদের মধ্যে অনেকেই, বলতে গেলে প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি কম্পিউটার ইউজার আছেন যাদের কোন প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই কম্পিউটার সম্পর্কে। তাঁদের কম্পিউটারের উপরে কোন সার্টিফিকেট কোর্স করা নেই। আমি বলছি না এটা খারাপ কিছু। অবশ্যই বাহবা পাবার যোগ্য। বলা যায়, এরওর দেখে বিশেষ করে বন্ধুদের দেখে কম্পিউটারের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। এভাবেই একসময় নিজের কাছে কম্পিউটার চলে আসে। প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে না শিখেন কিন্তু আপনাকেতো মান সম্পন্নভাবে জানতে হবে, তাই নয় কি। নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমার পরিচিত এমন অনেকেই আছেন যারা কম্পিউটারের এক্সপার্ট তবে, এমএস ওয়ার্ড অ্যাপ্লিকেশান সফটওয়্যারে বিজয় বাংলা এবং ইংরেজি টাইপ করতে পারেন না। বিজয় বাংলা এবং ইংরেজি কেন বলছি সেটা অবশ্যই বলে দিতে হবে না আমাকে। অথচ তিনি এক্সপার্ট!!! কম্পিউটারে বিজয় বাংলা এবং ইংরেজি টাইপ করতে না পারার কারণে নিজের সামান্য নোট তাকে অন্যকে নিয়ে করায় নিতে হয়। তাহলে, আপনার কম্পিউটার জ্ঞানের শুরুটাই তো ঠিক মত হল না!! আপনি যদি লিখা লিখি করে আয় করতে চান পারবেন?

২. ইন্টারনেটের ব্যবহার:

বর্তমান মডার্ন যুগে সবাই ইন্টারনেট চালায়। তরুণ সমাজকে ইন্টারনেটে আকৃষ্ট করার মূল জিনিসটাই হচ্ছে ফেসবুক! ভুল বললাম কি? ;) যাদের পিসি নাই তাঁরা দিব্বি মোবাইল ফোন নিয়ে ফেবু চালায়। আহ কি শান্তি! কিন্তু, যারা পিসি ইউজ করেন তাঁরা শুধু ফেসবুক নিয়েই ক্ষান্ত। এই টাইপ এর তরুণদেরই ইন্টারনেটে আয় করার ঝোঁক বেশি। ভালই, খারাপ কি! কিন্তু, তাঁদের একবার বলুন, আপনাকে একটু ডকুমেন্ট এটাচ করে মেইল করতে। বেশির ভাগই পারবে না!!! এটাচতো দূরের কথা তাঁরা কখনও মেইল ইনবক্স খুলে দেখে না। বিশ্বাস হয় না? আপনার পাশে এমন টাইপ এর কাউকে পেলে ট্রাই করে দেখুন, প্রমাণ মিলবে। এবার যদি বলেন, ইন্টারনেট থেকে কোন কিছু খুঁজে(Search) দিতে। অনেকেই “গুগল”-কে বলবে “গুগলি” বলতে। এরপরও সার্চ করতে দিয়ে আমতা আমতা করবে। আচ্ছা ধরুন, আপনি পিসি আর নেট কানেকশন হাতে পেয়েছেন ২ মাস হল। এর মধ্যেই আয় করবেন বলে বদ্ধ পরিকর হলেন। ধরুন আপনি ওয়েব রিসার্চের কাজে বিড দিলেন। ভাগ্যক্রমে কাজও পেলেন (মনে রাখবেন: আপনি পুঙ্খানুপুঙ্খ কাজ না জানলে অভিজ্ঞ বায়ার থেকে কাজ কোন দিনও পাবেন না।) এবার বুঝতে পারছেন না কিভাবে কাজটি করবেন। আপনার দৌড়ানোর কাজ শুরু। এবার জ্বালাতন করবেন এরেওরে। ভাই কিভাবে কাজ করবো, বায়ারের কথা বুঝি নাই আর অনেক কিছুই।

আমার কথা গুলো খারাপ শুনালে কিচ্ছু বলার নাই আমার, শুধু মনে রাখবেন। আপনি যাকে ডিস্টার্ব করবেন সেও কিন্তু একজন ইন্ডিপেনডেন্ট ফ্রীলান্সার। আপনার অক্ষমতার জন্য কেন সে আপনাকে সময় দিবে? আপনাকে তো কাজ শিখতে কেউ মানা করে নাই। তাহলে কেন কাজ না শিখে কাজ নিয়ে অন্যকে জ্বালাবেন?

৩. ইমেইল, মেসেঞ্জার এর ব্যবহার শিখুন:

উপরে ইন্টারনেটের ব্যবহার সম্পর্কে বলেছি। দেখুন, আপনি ফ্রীলান্সিং করবেন কিন্তু ইমেইল, মেসেঞ্জার এর সঠিক ব্যবহার জানবেন না তাহলে কিভাবে বায়ারের সাথে যোগাযোগ রাখবেন। ফ্রীলান্সিং জগতে ইমেইল এবং মেসেঞ্জার এমন ২টি পথ যেগুলো ব্যবহার না করতে পারলে আপনি কখনও বায়ার ধরতে পাবেন না। তাই আমি রিকমেন্ড করবো যারা এখনও বিগেনার আছেন, ইমেইল করা, ইমেইল এ ফাইল আটাছ করা। ইয়াহু, স্কাইপ, জিটক মেসেঞ্জার এর ব্যবহার শিখুন। নিজে না বুঝলে কিভাবে আসবের ইউজ করতে হয় নেটে সার্চ দিন “How to use Yahoo/ Gtalk/ Skype messenger” লিখে। হাজার হাজার অডিও, ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন। দেখুন, নেটে এসব সার্চ করতে হলে কিন্তুই আপনাকে অবশ্যই “ইন্টারনেটের ব্যবহার” জানতে হবে।

৪. ধৈর্য ধারণ করুন:

ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং সময় এসব কিছু ফ্রীলান্সিং এর পূর্বশর্ত। এই গুনগুলো আপনার মাঝে না থাকলে বা না আনতে পারলে আপনার জন্য ফ্রীলান্সিং নয়। কারণ, আপনি চাইলেই একদিনেই একাউন্ট সাইন-আপ করেই কাজ পাবেন না। নিজে বুঝুন আগে কোথায় কি করতে হবে, না বুঝলে ফ্রীলান্সিং নিয়ে অনেক গ্রুপ-ফোরাম এবং ফেসবুক পেজ আছে সেখানে জয়েন করুন। আপনাদের প্রবলেম গুলো বলুন। কেউ না কেউ অবশ্যই হেল্প করবে। তবে মনে রাখবেন। কোন সল্যুশন পেতে অস্থির হবেন না। আপনার প্রবলেম এর সল্যুশন সাথে সাথেই পাবেন এমনটা আশা করুন বোকামি। আমি এখানে আমার নিজের অফিসিয়াল গ্রুপ এবং পেজ এর লিঙ্ক দিয়েছি। আপনারা নির্দ্বিধায় জয়েন করতে পারেন। সাধ্যমত সহায়তা করতে চেষ্টা করবো। 

৫. অভিজ্ঞদের সাথে আলোচনা করুন:

উপরে বলেছিলাম “আপনি যাকে ডিস্টার্ব করবেন সেও কিন্তু একজন ইন্ডিপেনডেন্ট ফ্রীলান্সার। আপনার অক্ষমতার জন্য কেন সে আপনাকে সময় দিবে? আপনাকে তো কাজ শিখতে কেউ মানা করে নাই। তাহলে কেন কাজ না শিখে কাজ নিয়ে অন্যকে জ্বালাবেন?” আসলে বেপারটা খারাপ শুনালেও বেপারটা এমন: আপনি নতুন সেটা একজন অভিজ্ঞ ফ্রীলান্সার এর সাথে কথা বললেই তিনি বুঝবেন। তার সাথে আপনার সকল প্রবলেম গুলো আলোচনা করুন। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই তার অবসর সময়ে। তার থেকে জেনে নিন, তিনি কখন অবসর থাকেন। নয়তো, তাকে ইমেইল করুন না আপনার সব প্রশ্ন গুলো। তিনি অবশ্যই আপনাকে সদুত্তর দিবেন যতদ্রুত সম্ভব। একটা কথা মনে রাখবেন বেশিরভাগ ফ্রীলান্সাররা মুক্ত মনের অধিকারী। তারা চান অন্যকে সহায়তা করতে। কিন্তু, বিগেনারদের তাড়াহুড়োর কারণে তারা এখন দিকনির্দেশনা দিতে ভয় পান। কোন মতেই অভিজ্ঞদের সাথে দীর্ঘ সময় আলোচনায় যাবেন না। এতে, আপনারই লস হবে। কারণ, কথা পিঠে অনেক কিছুই আলোচনা বহির্ভূত বিষয় চলে আসবে। এতে আপনি যে উদ্দেশে তার কাছে আসলেন সেটার কিছুটা হলেও ব্যাঘাত ঘটবে। 

৬. ফ্রীলান্স মার্কেটপ্লেস+ আপনার পছন্দের কাজগুলো চিনুন:



অভিজ্ঞদের সাথে আলোচনার একটা বিষয় এটা হতে পারে। আপনি কিভাবে মার্কেট প্লেস চিনবেন। কোনটা আপনার জন্য ভাল হবে। কি কাজ আপনি করতে পারবেন আসব নিয়ে। লক্ষ করুন, সারা বিশ্বে অনেক রেপুটেড ফ্রীলান্স সাইট আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: oDesk.com, Freelancer.com, eLance.com,, vWorker.com ইত্যাদি। এদের সম্পর্কে আমার লিখা দৈনিক সমকালের ফিচার থেকে সংক্ষেপে কিছু লিখা দিলাম নিচে:
ফ্রীলান্সার.কম: নিউ সাউথ ওয়েলস, সিডনী-তে অবস্থিত ফ্রীলান্সার.কম সাইটটি গেট-এ-ফ্রীলান্সার.কম নামে যাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালে। পরবর্তীতে ২০০৯ অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি Ignition Networks ৭ই মে ২০০৯ সালে গেট-এ-ফ্রীলান্সার.কম কে কিনে নেয় এবং সেই বছরের অক্টোবর মাসে সাইটটির নাম পরির্তন করেন নাম কর হয় বর্তমান ফ্রীলান্সার.কম। সাইটটির সিইও হিসেবে আছেন Matt Barrie. সাইটটিতে বর্তমানে ৩২, ৩৫,২২০ জনেরও বেশি সংখ্যক মানুষ ১৪,৮৭,৬৯৮টি প্রোজেক্টে কাজ করেছেন বায়ার এবং প্রোভাইডার হিসেবে এবং এই নিউজটি লিখার মুহুর্ত পর্যন্ত সর্বমোট অর্থ আয়ের পরিমান ১২,০৩,৯৩,৬০০ ডলার। সাইটটিতে আপনি একই সাথে কাজ করতে এবং আপনার কাজ অন্যদের দিয়ে করিয়ে নিতে পারবেন। বর্তমানে সাইটটিতে আপনি ঘণ্টা ভিত্তিক এবং বরাদ্দকৃত(Fixed) মূল্য ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন, সফটওয়্যার ডিজাইন, আপ্লিকেশন ডিজাইন সহ আর ২০০ এর উপরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অজস্র কাজ পাবেন। সাইটটির ঠিকানা: https://www.freelancer.com

ওডেস্ক.কম: ফ্রীলান্সার.কম এর মতো ওডেস্ক-ও বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস। ২০০৩ সালে রেড সিটি, ক্যালিফোর্নিয়া-তে ওডেস্কের কার্যক্রম শুরু হয়। ওডেস্কের সিইও হিসেবে আছেন Thomas Layton. ওডেস্কেও কাজের ধরন ২টাঃ ঘণ্টা ভিত্তিক এবং বরাদ্দকৃত(Fixed) মূল্য। মূলত: ওডেস্কের থেকেই ফ্রীলান্সার.কম তাদের কর্মসূচীতে ঘণ্টা ভিত্তিক কাজ করানোর প্রক্রিয়া চালু করে। ওডেস্কেও আপনি বিভিন্ন বিভাগের আওতায় কয়েক লক্ষাধিক কাজ পাবেন। এখানে ঘণ্টা ভিত্তিক কাজের টাকা আপনি আপনার ওডেস্ক সফটওয়্যারের রেকর্ড অনুযায়ী কাজ শেষে পাবেন। তবে নির্ধারিত(ফিক্সড) মূল্যের কাজের টাকার পেমেন্ট গুলোর কোন গ্যারান্টি পাবেন না। সেটা আপনি প্রোজেক্ট এর বিড প্লেস করার আগেই জানানো হয়। উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে সাইটটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২,০০,০০০ এর বেশি বিভিন্ন দেশের মানুষ বায়ার এবং প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করছেন। এই সাইটটিতেও আপনি একই সাথে কাজ করতে এবং আপনার কাজ অন্যদের দিয়ে করিয়ে নিতে পারবেন। সাইটটির ঠিকানা: https://www.odesk.com

ভিওয়ার্কার.কম: বর্তমান ভিওয়ার্কার.কম মূলত রেন্ট-এ-কোডার.কম এর নতুন সংস্করণ। ২০০১ সালে থাম্বা, ফ্লোরিডা-তে সিইও ইয়ার ইপলিটো এর হাত ধরে রেন্ট-এ-কোডার.কম(বর্তমান ভিওয়ার্কারের) যাত্রা শুরু হয়। সাইটটি মূলত যাত্রা শুরু করে Craigslist বিজ্ঞাপন জাতীয় কাজ দ্বারা। বর্তমানে এই ধরনের কাজের সাথে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ডাটাবেজ ডিজাইন সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কয়েক লক্ষাধিক কাজের দেখা মিলে। সাইটটিতে বর্তমানে বায়ার এবং প্রোভাইডারের সংখ্যা মিলে দাঁড়ায় ৫,৩৩,০১০ জন। ফ্রীলান্সার এবং ওডেস্কের মতো এই সাইটটিতে আপনি একই সাথে বায়ার এবং প্রোভাইডারের ভূমিকা পালন করতে পারবেন না। দুটি ভূমিকায় কাজ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ২টি একাউন্ট থাকতে হবে। সাইটটির ঠিকানা: https://www.vworker.com

অর্থ উত্তোলন পদ্ধতি: সাইটগুলোতে কাজ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে টাকা হাতে পাওয়াটা কিছুটা কষ্টকর হলেও আমাদের দেশের তরুণরা কাজ করা থেকে পিছিয়ে নেই। বর্তমানে প্রতিটি ফ্রীলান্সিং সাইট-ই আন্তর্জাতিক ডেবিট মাস্টার কার্ড দিয়ে অর্থ উত্তোলনের সুবিধা দেয়, সাথে মানিবুকার্স, পেপাল এবং ওয়েবমানি ট্রান্সফার এর মাধ্যমে সামান্য কিছু চার্জ দিয়ে নগদ অর্থ দেশের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে হাতে আনা যায়।

৭. অতঃপর আয়:

অপরের প্রতিটি স্টেপ কোন না কোন ভাবে আপনাকে মানতেই হবে। ধৈর্য নিয়ে নিয়ে কিছু পথ পাড়ি দিতে পারলেও সপ্তম পথে এসে আপনাকে এর পথ হাতড়াতে হবেনা। আপনাকে টাকা খুঁজতে হবেনা, টাকা আপনাকে খুঁজবে। মার্কেটপ্লেস গুলো চিনার সাথে সাথে আপনার পছন্দের কাজ শিখুন। যে কাজে আপনি কমফোর্ট পাবেন সেই কাজ করুন। অন্যের বুঝায় দেয়া কাজে যদি নিজে মন থেকে পছন্দ করতে না পারেন তবে ভুলেও সেই কাজে পা বাড়াবেন বা। আপনি যে কাজটি পছন্দ করবেন, সেটি যদি ছোট কাজও হয় তবে সেটি নিয়েই শুরু করুন না। কাজ করবেন, আয় করবেন সাথে নিজেকে প্রতিনিয়তই ডেভেলপ করবেন প্রযুক্তির সাথে। তাহলে আপনার ফ্রীলান্স জগত অনেক সহজ হবে।

Free Game for your Android phone

এন্ড্রয়েডের বেশিরভাগ গেইমস ফ্রী হলেও ভাল গেইমগুলো সাধারনত টাকা দিয়ে কিনতে হয়। শুরুর দিকে ভাল গেইমগুলো আইওএস এর জন্য রিজিল হলেও এন্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তাকে অবহেলা করতে পারেনি মোবাইল গেইম ডেভেলপাররা। বর্তমানে ফ্রীমিয়াম ব্যবসায়ীক কৌশলের কারনে বেশ কিছু ভাল গেইম রয়েছে এন্ড্রয়েড মার্কেটে যেগুলো ফ্রী।





প্লে-স্টোরে থাকা হাজার হাজার গেইমের মধ্য থেকে ভাল গেইম খুঁজে পাওয়া অনেক সময় কস্টসাধ্য হয়ে যায়। আর তাই সেই কস্টকে লাঘব করতে সেরা ১০টি এন্ড্রয়েড গেমস নিয়ে সাজানো হয়েছে এই পোস্টটি।

Angry Birds
এক সময়ের সাড়া জাগানো তুমুল জনপ্রিয় এই গেইমটি লিস্টে না থাকলেই নয়! যদিও বর্তমানে অনেকেই রাগান্নিত পাখির এই গেইমটি পছন্দ করেন না, তবে এখনো এই গেইমের লক্ষ লক্ষ ভক্ত রয়েছে বিশ্বজুড়ে। 
Asphalt 8: Airborne
অসাধারন এই রেসিং গেইমের আগের ভার্সনটি ফ্রী না থাকলেও এটি ফ্রী! যদিও গাড়ি আপগ্রেড সহ আরও কিছু ফিচার পেতে হলে পয়সা গুনতে হবে তবে কোন টাকা খরচ না করে দিব্যি মজা করে খেলা সম্ভব এই গেইমটি।
CSR Racing
ড্র্যাগ রেসিং যাদের পছন্দ তাদের জন্য CSR Racing অসাধারন একটি গেইম। শুরুতে আইওএস এ উন্মুক্ত হলেও, এর জনপ্রিয়তার প্রেক্ষিতে নির্মাতারা এন্ড্রয়েডের জন্যেও নিয়ে আসেন এই গেইম।
Cut The Rope
এটি একটি নেশা ধরানো পাজল গেইম। বিভিন্ন বাধা ডিঙ্গিয়ে সবুজ ঐ প্রানীটিকে খাওয়াতে হয় তার পছন্দের ক্যান্ডি। গেইমটিতে বর্তমানে ৩৭৫টি লেভেল রয়েছে এবং কিছুদিন পর পরই নতুন লেভেল যুক্ত হচ্ছে।
Dead Trigger 2
ফার্ট পারসন শুটার গেইম ভক্তদের মধ্যে সাড়া জাগানো একটি গেইম হচ্ছে Dead Trigger 2. ২০১৩ সালের সবচেয়ে জনপ্রিয় এন্ড্রয়েড গেইমগুলোর মধ্যে এটি একটি এবং এখনো দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। 
FIFA 14
EA Sports এর ফিফা সিরিজের গেইমগুলো নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। ফিফা ১৪ এন্ড্রয়েডের জন্য যথেস্ট ভাল মানের একটি ফ্রী গেম।
Fruit Ninja
এটি একটি ক্ল্যাসিক এন্ড্রয়েড গেইম। এ পর্যন্ত ১০০ মিলিয়নের বেশিবার ডাউনলোড হওয়া এই গেইমটি সম্পর্কে খারাপ কিছু বলার উপায় নেই। অবসর সময়ে খেলার জন্য এই গেইমটি মহাউপযোগী।
Jetpack Joyride
ফ্রুটনিঞ্জা গেইমের নির্মাতাদের তৈরি আরেকটি নেশা ধরানো গেম হচ্ছে Jetpack Joyride. অত্যন্ত জনপ্রিয় এই গেইমটি নিয়মিত আপডেট করা হয় এবং নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হয় গেমারদের সুবিধার্তে।
The Simpsons 
সিম্পসন্স টিভি সিরিয়ালের ভক্তদের জন্য এবার এলো সিম্পসন্স গেইম। গেইমটিতে সিম্পসনের নির্মাতাদের কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে অল্পদিনেই বেশ ভাল জনপ্রিয়তা কুড়িয়ে নিয়েছে এই গেমটি।
Temple Run 2 
টেম্পল রান গেইমটি ছাড়া এই লিস্টটি সম্পূর্ন হোত না। এই গেইমটি হয়তো আপনারা সবাই কমবেশি খেলেছেন এবং এখনো এটি যথেস্ট জনপ্রিয় একটি গেইম।

Saturday, January 25, 2014

Android phone operating System - Windows95/98/XP/Win7 and Win8



আমাদের অ্যান্ড্রয়েড ফোন লিনাক্স কার্নেল এর উপর ভিত্তি করে চলে। তাই স্মার্ট ফোনে আপনি সরাসরি অ্যান্ড্রয়েড ব্যতীত অন্যকোন অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করতে পারবেন না। তবে আপনি চাইলে লিনাক্স কার্নেল ভিত্তিক অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিছু অ্যাপ্লিকেশান ব্যবহার করে যে কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবেন। এতে অপারেটিং সিস্টেম IMG ফাইল ফরমেট সিস্টেম এ থাকবে এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশান সেটি পড়বে অর্থাৎ পুরো বিষয়টি একটি অ্যাপ্লিকেশানের মতন কাজ করবে। এরফলে ফোনে বিশেষ কোন প্রকার সমস্যা হবার সম্ভাবনা থাকে না। আজকে আমি আপনাদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালানোর পদ্ধতি জানাবো।

 libSDL অ্যাপ্লিকেশান ইন্সটলেশন:

libSDL অ্যাপ্লিকেশান 

libSDL অ্যাপ্লিকেশান
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালানোর চালানোর জন্য প্রথমে এখান থেকে libSDL অ্যাপ্লিকেশানটি ডাউনলোড করে নিন এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইন্সটল করুন।

 SDL ফোল্ডার তৈরি:

 

SDL ফোল্ডার তৈরি

SDL ফোল্ডার তৈরি
এবার আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মেমরি কার্ডে SDL নামে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। এখন আপনি যে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে চান তার IMG ফাইল ফরমেট ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে নিন। আমি এখানে Windows95 এর IMG ফাইল ফরমেট ব্যবহার করছি। অপারেটিং সিস্টেমের IMG ফাইল ফরমেট ছাড়াও libSDL অ্যাপ্লিকেশানের মাধ্যমে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালাতে SDL ফোল্ডারে আরও তিনটি ফাইল লাগবে- "vgabios-cirrus.bin", "vgabios.bin" এবং "bios.bin"
নোট:  অপারেটিং সিস্টেমের IMG ফাইলকে অবশ্যই "c.img" এই নামে থাকতে হবে।
আমি এখানে vgabios-cirrus.bin, vgabios.bin, bios.bin এবং Windows 95 এর IMG ফাইল ফরমেট সহ ডাউনলোড লিঙ্ক দিয়ে দিলাম, যা SDL ফোল্ডারে থাকবে।
এখান থেকে Windows XP এর IMG ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম:

 

 libSDL অ্যাপ্লিকেশান

libSDL অ্যাপ্লিকেশান
এবার libSDL অ্যাপ্লিকেশানটি চালু করুন। তারপর অ্যান্ড্রয়েড ফোনে উপভোগ করুন মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম !

বুট... 
বুট
...
বুট হবার পর সয়ংক্রিয় ভাবে চালু না হলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের নিচের ভলিউম বাটনে চাপ দিন 
বুট হবার পর সয়ংক্রিয় ভাবে চালু না হলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের নিচের ভলিউম বাটনে চাপ দিন

Windows95 আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে !!!

Windows95 আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে !!!

FireFox Operating System (Firefox OS)

 মোজিলার  এইচটিএমএল৫ ভিত্তিক  ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম আপনি আপনার কম্পিউটারে চালাতে পারেন ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম সিমুলেটর ব্যবহার করে । মোবাইল ফোন ব্যবহার না করেই আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবেন । আপনি ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমের অ্যাপ এতে চালাতে পারবেন । উইন্ডোজ, ম্যাক ও লিনাক্স সহ সকল কম্পিউটারে চলবে ।
ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম

কিভাবে কম্পিউটারে ইন্সটল করবেন?

ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম সিমুলেটরল ফায়ারফক্স ব্রাউজারের ভিতর চলে । ইন্সটল করার জন্য প্রথেম নিচের ঠিকানা থেকে ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম অপারেটিং সিস্টেম সিমুলেটর অ্যাডঅন ইন্সটল করুন ।

Install Firefox OS Simulator

https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/firefox-os-simulator/

ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম সিমুলেটর শুধুমাত্র ফায়ারফক্স ব্রাউজারের সাথে কাজ করে । এই সিমুলেটর অ্যাড অনটির সাইজ একটু বেশি প্রায় ৫০ মেগাবাইট । ডাউনলোড ও ইনস্টল হতে একটু সময় লাগবে । ইন্সটল করা শেষ হলে ফায়ারফক্সের মেনুবারের Tools>Web Developer > Firefox OS Simulator এ ক্লিক করলে নিচের উইন্ডো খুলবে ।

   
ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম সিমুলেটর ড্যাশবোর্ড
বামপাশ থেকে সিমুলেটর বাটনের ক্লিক করলে ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম চালু হবে ।




ইনস্টল করা অ্যাপ দেখার জন্য ডানে বামে সোয়াইপ করতে হবে । উপরে একটি নোটিফিকশেন এরিয়া আছে  । ব্লুটুথ, ওয়াফাই, ফ্লাইট মোডের জন্য বাটন আছে রয়েছে ।

অ্যাপ উইন্ডো
আগে থেকে ক্যালেন্ডার, ঘড়ি , ই-মেইল, মিউজিক,ভিডিও প্লেয়ার এর মত কিছু অ্যাপ ইন্সটল করা থাকে । সিস্টেম অ্যাপ যেমন ক্যামেরা ,গ্যালারি,এফএম রেডিও,ব্রাউজার,মেসেজ,ফোন করার অ্যাপ আছে । আপনি চাইলে মার্কেট প্লেস অ্যাপ ব্যবহার করে মার্কেট প্লেস থেকে অ্যাপ ইন্সটল করতে পারবেন । যেমন :Ward Wars গেমসটি আমি ইন্সটল করেছি ।
ফোন ডায়ালার
যা প্রয়োজন:
  • ফায়ারফক্স ব্রাউজার
  • ইন্টারনেট কানেকশন ডাউনলোড করার জন্য
  • প্রায় ৫০ মেগাবাইট
  • উইন্ডোজ,ম্যাক বা যে কোন অপারেটিং সিস্টেম যাতে ফায়ারফক্স ব্রাউজার চলবে
অ্যাডঅন ডাউনলোডের ঠিকানা : https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/firefox-os-simulator/

Top Keyboard Shotcut of Windows 8

সবাইকে বিশ্ব ইসতিমার শুভেচ্ছা ও দাওয়াত দিয়ে আজকের লেখা শুরু করছি। আশাকরি সবাই ভাল আছেন। আপনাদের সবাইকে মোহন আল্লাহ ভাল রাখুন সেই দুআ করি, আপনারাও আমার জন্য দুআ করবেন।

এবার কাজের কথায় আসি। উইন্ডোজ ৭ এর পর আমরা অনেকেই উইন্ডোজ ৮ ব্যবহার শুরু করে দিছি। প্রযুক্তি এগিয়ে চলছে, আমরা পিছিয়ে থাকবো কেন? আমরা জানি উইন্ডোজ ৮ অন্যান্য ভার্সনের চেয়ে কিছুটা ব্যাতিক্রম। তাই উইন্ডোজ ৮ চালাতে অনেকেই বিরক্তিবোধ করেন। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে শুধুমাত্র আপনি না জানার কারণেই বিরক্ত হচ্ছেন, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ ৭ বা এর অন্য যেকোনো ভার্সনের চেয়ে প্রায় সব দিক দিয়েই শ্রেষ্ঠ।
আপনাদের আগ্রহ থাকলে আমি উইন্ডোজ ৮ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে পোস্ট করতে ইচ্ছুক, কমেন্ট করে জানাবেন।
আজকে আপনাদেরকে উইন্ডোজ ৮ এর কীবোর্ড শর্টকাট জানাব, এতে আপনি অনেক কাজ খুব সহজেই করতে পারবেন। সুতরাং, এই শর্টকাট কী মনে রাখার চেষ্টা করুন।

১) স্টার্ট স্ক্রিন খুলতে Windows key চাপুন
২) ডেস্কটপ এ যেতে 
Windows key + D চাপুন
৩) যেকোনো Apps কে স্ক্রীন এর স্লাইড বারে পিন বা আনপিন করতে 
Windows key + . চাপুন
৪)   উইন্ডোজ পাওয়ার ইউজার মেনু (যেমন ডিভাইস ম্যানেজার এবং কমান্ড প্রম্পট) ওপেন করতে 
Windows key + X চাপুন।
৫) Charms*** ওপেন করতে
Windows key + C চাপুন।
৬) সেটিংস ওপেন করতে
Windows key + I চাপুন।
৭) খোলা অ্যাপ্লিকেশান দেখানোর জন্য 
Windows key + Tab চাপুন এবং ধরে রাখুন।
৮) স্ক্রিন শট নেয়ার জন্য
Windows key + Print screen চাপুন।
৯) কোনও কিছু সার্চ করতে চাইলে Windows key + F
১০) কোনও কিছু শেয়ার করতে চাইলে Windows key + H
**** The Windows Charms is a new feature that was introduced with Windows 8 that gives you access to Search, Share, Start, Devices, and Settings.

List of Bengali Blog

বাংলা ব্লগ

আপনারা যারা বাংলা ব্লগ ভালবাসেন তাদের জন্য আজকে নিয়ে এলাম বাংলাদেশের সকল বাংলা ব্লগ গুলোর একটি লিস্ট। তাই দেরি না করে এখুনি দেখে নিন বাংলাদেশের সকল জনপ্রিয় বাংলা ব্লগ গুল।

বাংলা ব্লগ গুলোর একটি লিস্ট


টিউনমেলা
সামহোয়্যারইন ব্লগ
সচলায়তন
গণিত পাঠশালা
আমার ব্লগ
প্রথম আলো ব্লগ
চতুর্মাত্রিক
নাগরিকব্লগ
সোনার বাংলাদেশ
নীড়পাতা
প্রজন্ম ফোরাম
বিসর্গ
মৌমাছি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
টিউটোরিয়াল বিডি
টেকটিউনস
টেকটুইটস
প্রতীক
আইটেক বাংলা
আমরা বন্ধু
আমার ঠিকানা
আমাদের কথা
আমাদের প্রযুক্তি
আমার বর্ণমালা
আড্ডা ব্লগ
ওপেস্ট
একুশে ব্লগ
এসিএম সলভার
কফি হাউজের আড্ডা
ক্যাডেট কলেজ ব্লগ
জীবনযাত্রা
টেকনোলজি টুডে ব্লগ
ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক
নৃ
নীলঞ্চল বাংলা ব্লগ
পিস ইন ইসলাম
বকলম
বাংলা দুনিয়া
বিজ্ঞানী
বিবর্তন বাংলা
বিডিনিউজ২৪বাংলা ব্লগ
বলতে চাই স্বপ্নের কথা
মুক্তব্লগ
মুক্তমনা বাংলা ব্লগ
মুক্তাঙ্গন: নির্মাণ ব্লগ
রংমহল
লোটাকম্বল
শব্দনীড়
সবুজের কলতান ব্লগ
সদালাপ
সাহিত্য.কম
অন্যদৃষ্টি
প্রযুক্তি নিয়ে খেলা
স্বাস্থ্য বাংলা
ওপেস্ট
সিনেমা পিপলস
অনুকাব্য
অন্তরনামা
আইডি ফোরাম
আইটেক বাংলা
আমরা বন্ধু
আমার ঠিকানা
আমাদের কথা
আমাদের প্রযুক্তি
আমার বর্ণমালা
কৃষি ব্লগ
টেকনোলজি টুডে ব্লগ
টেকনোলজিবেসিক
টিউনারপেজ
ত্রিভুভ নেটওয়ার্ক
নীলাঞ্চল বাংলা ব্লগ
বকলম
ব্লগকরি
ব্লগ বাংলা
ব্লগবন্ধু
বলতে চাই স্বপ্নের কথা
বাংলা দুনিয়া
বাংলাআই ব্লগ
বিজ্ঞানী
বিবর্তন বাংলা
সবকিছু
সাতকানিয়া ব্লগ.কম
স্বপ্নবাজ ব্লগ
সরল পথ
সদালাপ
বিজ্ঞানসকুল

ধন্যবাদ

Samsung Galaxy Ace S5830 Price & others Specification

আমরা অনেকেই জানি যে নামিদামি কম্পানির ভিতর Samsung কম্পানি একটি।
আজ আপনাদের সাথে  Samsung Galaxy Ace S5830 সেটর দাম ও সেটে কিকি সুবিধা সমূহ  কথা শেযার করব।


Samsung Galaxy Ace S5830: Price in Bangladesh & Full Specification




Price20900 Tk
Camera5 Megapixel || Video: Yes, QVGA 15fps
InternetGPRS: Yes || EDGE: Yes, 3G
FM RadioYes
Audio PlayerMP3, AAC, AAC+, eAAC+
Video PlayerMPEG4, H.263, H.264 




First ArrivalFebruary, 2011
Memory158 MB
Memory Card Slotmicro SD, Expandable up to 32GB, 2GB included
BluetoothYes
USBYes, v2.0 microUSB
InfraredNo
Weight113 gm
StatusAvailable
DisplayTFT display, 320 x 480 pixels, 3.50" , Capacitive, Touch Screen
Talk Time11 Hour(2G), 6.5 Hour(3G)
Stand By640 Hour(2G), 420 Hour(3G)
BrowserHTML
JavaYes, via Java MIDP emulator
Other FeaturesFacebook, Twitter, Caller groups, Multiple numbers per contact, Search by both first and last name, Picture ID, Ring ID, Calculator, Memo

Full Specification of Samsung Galaxy Grand 2

Samsung খুব সিঘ্রয় বাজারে আনতে চলেছে Galaxy Grand 2  ২০১৪ এ প্রথম সপ্তহে পাওয়া যাবে । Galaxy Grand 2  এর নতুন  ফিচারগুল দেখা যাক জদিও তেমন কিছু পরিবর্তন নেই Galaxy Grand এর মতই ।


Samsung Galaxy Grand 2 Full Specification

  •  Network: HSPA+
  • Processor: 1.2GHz quad-core processor
  • Display: 5.25" HD 1280x720, Ratio 16:9
  • Camera: 8MP Rear+LED Flash and 1.9 megapixel front camera
  • Memory :  8GB internal expandable up to 64GB
  • OS: Android 4.3 jelly bean
  • Connectivity : WiFi a/b/g/n, Bluetooth 4.0, GPS, USB 2.0
  • Sensor: Accelerometer, Proximity,Light
  • Dimension: 146.8x75.3x8.9mm
  • Weight: 163 G
  • Battery: 2,600 mAh
ইন্ডিয়ায় এর দাম ১৯০০০- ২১০০০ মধে।

Details of upcoming Handset Samsung Galaxy S5

Samsung Galaxy পরিবারে খুব শীঘ্রই যোগ হতে যাচ্ছে নতুন একটি গেলাক্সি সিরিজের মোবাইল Samsung Galaxy S5। মোবাইল টি এপ্রিল এ মার্কেট এ আসবে বলে জানা গেছে। এর আগে একটি পোস্ট এ আমি জানিয়েছি আপনাদের দিভাইস টি সম্পর্কে কিছু তথ্য এবং ফিচার। Samsung এই দিভাইস টি ফেব্রুয়ারী এর ২৩ তারিখ ঘোষণা করতে যাচ্ছে এবং মার্কেট এ আসছে এপ্রিল এ । কিন্তু ডিভাইসটিতে কি কি থাছে তা সম্পর্কে আপনি জানেন কি? না জেনে থাকলে আপনার জন্যেই আজকের এই পোস্ট। এই পোস্ট এ আজ দেখাচ্ছি আমাদের জানামতে Samsung Galaxy S5 সকল ফিচার এবং Specification.



galaxy s5 
 
                                                                    From left, Galaxy S3, S4, S5
ছবিতে দেখুন গেলাক্সি ৩ থেকে শুরু করে গেলাক্সি ৫ পর্যন্ত তিনটি দিভাইস এর চেহারার পার্থক্য। নতুন এই দিভাইস টি হতে যাচ্ছে আগের দিভাইস থেকে প্রায় অনেকটা আলাদা। নতুন এই দিভাইস টি দুইটি ভার্শন এ আসতে পারে একটি প্লাস্টিক বডি অপরটি মেটাল। এছারাও ৩ জিবি এবং ৩২ জিবি রম এর ভার্শন তো থাকছেই।
আপনি জানেন কি! এতে থাকছে 64-bit Oct-core প্রসেসর! আর কিছু লাগবে!


samsung_logo_720w


এছারাও নতুন ফিচার হিসেবে থাকছে QHD ডিসপ্লে এবং Eye Scanner ফিচার যা স্মার্টফোন এ এই প্রথম। QHD ডিসপ্লে এর আগের অন্য একটি কোম্পানি তে আমরা দেখেছি তাদের স্মার্টফোন এ। তবে স্যামসাঙ এ এই প্রথম এবং স্মার্টফোন জগতে দ্বিতীয় এই গেলাক্সি এস৫ এর ডিসপ্লে।
এই গেলো নতুন ফিচার। চলুন তবে এক নজরে দেখে নেই এই পর্যন্ত প্রকাশ পাওয়া ডিভাইসটির Specification
Samsung Galaxy S5 Specification


DISPLAY5.2 – 5.25-inch Super AMOLED; 2,560×1,440 pixels
PROCESSOROcta-core, 64-bit Exynos 6 and Snapdragon 800/805 models
RAM / INTERNAL MEMORY3 GB / 32 and 64 GB + microSD (up to 64 GB)
CAMERA (REAR)16 or 20 MP with ISOCELL sensor
MATERIALPlastic, metal or a plastic front and metal battery cover
CONNECTIVITYLTE, HSPA, GSM, Wi-Fi, Bluetooth 4.0, NFC, USB2.0 with MHL
DIMENSIONSTBC
WEIGHTTBC
BATTERY2,900 – 4,000 mAh (2,900 more likely)
OPERATING SYSTEMAndroid 4.4 KitKat with newly redesigned TouchWiz UI
AVAILABILITY AND PRICEAvailable April, same initial on-contract carrier pricing as the S4       

Iris scanner
Seeing double: Two version of the S5 are expected to go on sale in April, a metal and a plastic version

Thursday, January 23, 2014

Some of the most expensive accidents

Some of the most expensive accidents in the World

Chernobyl Nuclear Plant



১৯৮৬ সালের এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে পৃথবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল দূর্ঘটনাটি ঘটেছিল। এই দূর্ঘটনাটির ফলে ২ লক্ষ মানুষকে সাথে সাথে স্থানান্তর করা হয়েছিল। ১৭ লক্ষ মানুষ এই দূর্ঘটনার ফলে নানা রোগে আক্র্রান্ত হয়েছিল। দূর্ঘটনার পরবর্তী বিভিন্ন সময়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১২৫০০০ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেছিল। এই দূর্ঘটনার ফলে ২০০বিলিয়ন ডলারের সমমান ক্ষতি হয়েছিল।

Space Shuttle Columbia

 



২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ৩ তারিখে বিশ্বের ২য় বৃহত্তম ব্যয়বহুল দূর্ঘটনাটি ঘটে। ১৯৭৮ সালের হিসেব অনুযায়ী এতে ব্যয় হয়েছিল ২ বিলিয়ন ডলার যা বর্তমানে ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের সমমান। এছাড়াও তদন্তের জন্য আরও প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল এবং গবেষনাতে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল। সবমিলিয়ে বর্তমানের ১৩ বিলিয়ন ডলারের সমমান অর্থের ক্ষতি হয়েছিল।

prestige oil spill

 



২০০২ সালের নভেম্বর মাসের ১৩ তারিখে ৭৭০০০ টন জ্বালানী তেল নিয়ে স্পেনের গ্যালিসিয়াতে প্রচন্ড ঝড়ের কারনে ১২ টি টাংকির একটি বিস্ফোরিত হয়ে জাহাজটি দূর্ঘটনায় পতিত হয়। তখন জাহাজের নাবিক স্পেনের উদ্ধার কর্মীদের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন, প্রত্যাশা করেছিলেন স্পেনের উদ্ধার কর্মীগন তাদের জাহাজটি সমুদ্রথেকে নির্দিষ্ট একটি নিরাপদ পতাশ্রয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোন প্রকার সাহায্যের আশ্বাস না পেয়ে ফ্রান্সের উদ্ধার কর্শিদের প্রতি সাহায্যের আবেদন করেন কিন্তু ফ্রান্সের উদ্ধার কর্মীগন তাদেরকে তাদের সমুদ্রসীমানার বাহিরে দূর্ঘটনা ঘটায় সাহায্য করতে অসংগতা প্রকাশ করে। এই দূর্ঘটনাটির ফলে ২০ মিলিয়ন গ্যালন জ্বালানী তেল সমুদ্রে পতিত হয়। সম্পূর্ন তদন্ত শেষে ঘোষনা করা হয় এই দূর্ঘটনার ফলে ১২ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়।

Challenger Explosion

 



স্পেস শাটল চ্যালেঞ্জার দুর্ঘটনা হচ্ছে একটি মহাকাশযান সংশ্লিষ্ট দূর্ঘটনা, যা সংঘটিত হয় ১৯৮৬ সালের ২৮ জানুয়ারি। সেদিন উড্ডয়নের ৭৩ সেকেন্ড পর যান্ত্রিক সমস্যার কারণে স্পেস শাটল চ্যালেঞ্জার ভেঙে টুকরো হয়ে যায়, এবং এর আরোহী সাত জন মহাকাশচারী মারা যান। এর ধ্বংসাবশেষ পতিত হয় আটলান্টিক মহাসাগরে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলের কাছে। দূর্ঘটনটি ঘটার সময় ছিলো উত্তর আমেরিকার পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক সময় সকাল ১১টা ৩৯ মিনিট, বিকাল ৪টা ৩৯ মিনিট। যার ফলে তৎকালীন সময়ের ২ বিলিয়ন ডলার বর্তমানের ৪.৫ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া তদন্ত এবং উদ্ধার কাজে আরও ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ১৯৮৬-১৯৮৭ সালের মধ্যে ব্যয় করা হয়।

piper alpha oil rig

 



পৃথিবীর ইতিহাসে এটি সবচেয় বড় তেল উত্তোলন কেন্দ্রের দূর্ঘটনার ঘটনা। যা থেকে প্রতিদিন ৩১৭০০০ ব্যারেল তেল উত্তোলন করা হয়। এই দূর্ঘটনায় কর্মরত ১৬৭ জন শ্রমিক মারা যায় এবং ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের অর্থের ক্ষতি হয়।

exxon valdez

 



পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল জাহাজ দূর্ঘটনা যা ১৯৮৯ সালের ২৪শে মার্চ সংগঠিত হয়। এই দূর্ঘটনার ফলে ১০.৮ মিলিয়ন গ্যালন তেল সমুদ্রপৃষ্টে পতিত হয়। যার ফলে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের সমমান অর্থের ক্ষতি হয়।

Titanic

 



ডুবে যাওয়া টাউটানিক-ই হয়ত পৃথিবীর সবচেয়ে স্বরনীয় দূর্ঘটনা। যা প্রায় প্রত্যেক দেশের মানুষেরই জানা। ১৯১২ সালের ১৫ই এপ্রিল টাইটানিক দূর্ঘটনার কবলে পতিত হয়। এর ফলে ১৫০০ জন যাত্রী মৃত্যুবরন করে এবং এর মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমান তৎকালীন সময়ে ৭ মিলিয়ন ডলার যা বর্তমানে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের সমান।

Most costly fighter plane picture with value

 

Most Costly Military Fighter Plane

এফ/এ - ১৮ হর্নেট : $.94 মিলিয়ন

 

fa18_hornet.jpg

ইউএস আর্মির সর্বপ্রথম স্ট্রাইক ফাইটার বিমান। টুইন ইজ্ঞেনর এই যুদ্ধ বিমানটি সার্ভিস শুরু করে ১৯৮০ সনে। গ্রাউন্ড এবং এ্যারিয়াল উভং টার্গেটে এ্যাটাক করতে সক্ষম। বর্তমানে এটি ইউএস আর্মি ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, কুয়েত, মালয়েশিয়া, স্পেন এবং সুইজারল্যান্ড আর্মিতে ও সার্ভ করে যাচ্ছে।

EA-১৮G Growler: $.102 মিলিয়ন

 

ea18g_growler.jpg

এটি মূলত এফ/এ - ১৮ হর্নেট ফাইটারের একটি লাইট আর্ম ভার্সন যা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এর জন্যে ডেভলাপ করা (মূলত এখন NAVY তে সার্ভ করে যাচ্ছে)। এটি এ্যান্টি এ্যায়ারক্রাফ্ট রাডার অবজেক্ট কে খুজে বের করে এবং শত্রু পক্ষের কমিউনিকেশান সিস্টেমে নিজের পাঠানো সিগন্যালের মাধ্যমে পুরো জ্যাম করে দিতে সক্ষম।

V-22 অস্প্রে : $.118 মিলিয়ন

 

v22_osprey.jpg


২০০৭ সনের ইরাক যুদ্ধে প্রথম ব্যবহার করা হয়। টিল্ট রোটরের এই যুদ্ধাবিমান হেলিকপ্টাররে মত উঠা নামা করলেও এটি একটি ফিক্সড উইং প্লেনের চাইতে দ্রুত উড়ে থাকে। ভয়াবহ এই বিমানের ইতিহাস আরেকটু ঘাটলেই যানতে পারবেন এর ধ্বংসযজ্ঞের আরো তথ্য।

এফ-৩৫ লাইটিং  II : $.122 মিলিয়ন

f35_lightning2.jpg.

ইউএস মিলিটারির এ যাবৎ কালের সবচেয়ে বড় ডিল সই হয় এই সুপারসনিক ফাইটারের প্রজেক্ট শুরু হওয়ার কালে ২০০১ সনে। যদিও বর্তমানে এক্সপার্টরা মনে করছেন এই বিমান তাদের আশা পূরণ করতে পারেনি। তাদের মতে এটি খুবই লাইট এবং আন্ডারআর্মড। ২০০৭ এবং ২০০৮ সনে কম্পিউটার হ্যাকার দ্বারা ৭.৫ মিলিয়ন কোডের তথ্য পাচার কালীন সময়ে এই বিমানের তথ্যও পাচার হয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। তাই কোন শত্রু পক্ষের স্কোয়াডে এই বিমানের দেখতে পেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

E 2D - এ্যাডভান্সড হকআই : $.232 মিলিয়ন

e2d_hawkeye.jpg

এর পাওয়ারফুল এবং এ্যাডভান্সড রাডার সিস্টেম এর টেরিটরির ৩০০% এলাকা আরো বেশি কভার করবে। এটি এখনও আন্ডার ডেভেলাপমেন্ট অবস্থায় আছে। যদিও এর দুটি টেস্ট ভার্সন নেভি কে সাপ্লাই করা হয়েছে। এবং তারা ও এতে পজিটিভ ফিডব্যাক দিয়েছে।

VH-৭১ Kestrel :  $.241 মিলিয়ন

 

vh71_kestrel.jpg

এই হাইটেক হেলিকপ্টার প্রজেক্ট ইতোমধ্যে President's aging chopper fleet এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। অর্থাৎ এটি বারাক ওবামার অফিস থেকে বাড়ী ফেরার যান হতে চলেছে। তবে গত 22 জুলাই এই বাজেট $৪৮৫ মিলিয়নে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পি - ৮ এ Poseidon : $.290 মিলিয়ন

 

p8a_poseidon.jpg

এর ৭৮৭ জেট এর মিলিটারি ভার্সনটি নভি কে ব্যবহার করতে দেয়া হবে যা ব্যবহার হবে মূলত সাবমেরিন ওয়ারফেয়্যার এবং ইন্টেলিজেন্স গ্যাদারিং এর জন্যে। তবে পুরোপুরি সার্ভিস শুরু করতে এটি ২০১৩ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে ডেভেলপাররা বলছেন।

C17A গ্লোবমাষ্টার III : $.328 মিলিয়ন

c17a_globemaster3.jpg

এয়ারফোর্সের মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট প্লেনটি মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে মেডিকেল সার্ভিস দিয়ে থাকে এবং এয়ারড্রপ মিশনের সাথে যুক্ত। বর্তমানে ১৯০টি C17A গ্লোবমাষ্টার III সার্ভিসে রানিং অবস্থায় আছে। ১৯৯৩ সন থেকে নিরলস ভাবে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে।  ১০২ জন প্যারাট্রুপার একসাথে ডাইভ দিয়ে থাকে এই বিমান থেকে। ইরাক এবং আফগান যুদ্ধেও ব্যবহার করা হয়েছে এই বিমান।

F-22 Raptor : $.350 মিলিয়ন

 

f22_raptor.jpg

বিশ্বের সবচাইতে বেষ্ট কমব্যাট প্লেন হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই এফ - ২২ রাপ্টারকে। এর মানুফ্যাকচারিং ডিজাইনার হচ্ছেন Lockheed Martin। শত্রু পক্ষের নিক্ষেপ করা ক্রুজ মিসাইল কে শুট ডাউন করার মত ভয়াবহ কাজ ছাড়াও আছে সুপারসনিক স্পীড। বর্তমানে সিনেট বড় ডিবেট চলছে যে এর আরো সাতটি বানানো হবে কি না তা নিয়ে। যার টেটাল খরচ পরবে $১.৬৭ বিলিয়ন এবং এই প্রোজেক্টে কাজ করবে ২৫০০০ এর ও বেশী আমেরিকান।

B-2 Spirit : $.2.4 বিলিয়ন

 

b2_spirit.jpg

আপনারা হয়ত আমার কথা বিশ্বাস করবেন না, তারপরেও পরেও বলি। ছোটবেলায় আমার এটি পছন্দের গেমস ছিল "Aero fighter 2"। জানিনা আপনাদের কেউ খেলেছেন কিনা। খেলে থাকলে নিশ্চই মনে করতে পারবেন যে এ্যারো ফাইটারের একটি বস ছিল হুবুহু এই বি - ২ স্পিরিট। আমি নিজেও প্রথমে দেখে অবাক হয়েছি। এটি বোমারু বিমান যার বর্তমানে ২০টি ইউএস আর্মির সার্ভিসে আছে। ইনফ্রারেড, এ্যাকুইস্টেক এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রাডার ভিসিউয়াল সিগন্যালেও একে খুজে পাওয়া সম্ভব হয়নি। আফগান এবং ইরাক যুদ্ধে সমানে বোমা ফেলা হয় এই বিমান দিয়ে।